চট্রগ্রাম মহানগরীতে একটি সরকারি অফিসের ফলক থেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের নাম মুছে দিয়েছে ছাত্রলীগ। এসময় নামফলকটি সরাতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে তিনদিনের আলটিমেটামও দিয়েছে সংগঠনটি।
শনিবার বিকালে নগরীর মুরাদপুরে সমাজকল্যাণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ফলক থেকে মুজাহিদের নাম মুছে দেয় ছাত্রলীগ।
বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ছিলেন। ২০০৫ সালের ২১ অক্টোবর মন্ত্রী হিসেবে তিনি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উদ্বোধন করেন।
মুজাহিদ বর্তমানে কারান্তরীণ অবস্থায় আছেন। মানবতা বিরোধী অপরাধে তার মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করেছে ট্রাইব্যুনাল।
ফলক থেকে নাম মুছে দেয়া উপলক্ষে আয়োজিত এক সমাবেশে মুজাহিদের অতীত কর্মকান্ড উল্লেখ করে নগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রনি বলেন, যুদ্ধাপরাধীর নামে এদেশের কোন সরকারী স্থাপনার নামফলক থাকা লজ্জার এবং ঘৃণার। ছাত্রলীগ এমন ঘৃণিত ব্যক্তির নামফলকটি কালো কালিতে মুছে দিতে বাধ্য হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়া স্বীকৃত যুদ্ধাপরাধী আলী আহসান মুজাহিদের হাতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব তুলে দিয়ে এদেশের ৩০ লক্ষ শহীদকে অপমান করেছিলেন। আজ সময় এসেছে সেই অপমানের প্রতিশোধ নেয়ার। বিচারের মাধ্যমে তাদের সমুচিত জবাব দেয়া হচ্ছে।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নগর ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া দস্তগীর, সাংগঠনিক সম্পাদক খোরশেদ আলম মানিক, পরিবেশ সম্পাদক আখতার হোসেন সৌরভ, উপ-সম্পাদক এম এ হালিম মিতু, আশরাফ উদ্দিন টিটু, ওমরগনি এমইএস কলেজ ছাত্রলীগ নেতা শহীদুল ইসলাম শহীদ, সৈয়দ আনিসুর রহমান, তোফায়েল আহমেদ মামুন, সুলতান মাহমুদ ফয়সাল, শেখ মুহাম্মদ শাকিল, সোহেল রানা, শাহাদাত হোসেন পারভেজ, ইমাম হোসেন ইমন, আব্দুল আল আহাদ, আবু সাঈদ মুন্না, আওরাজ ভুইয়া রনক, ফজলে রাব্বি, ওমরগণি, ঐশিক পাল জিতু, জাবেদ রহিম মুন, ইউসুফ আলী বিপ্লব, পাঁচলাইশ থানা ছাত্রলীগ নেতা রবিউল ইসলাম খুকু, তানভীন আহমদ সেজান, তানিন ইসলাম, মিন জাহুল আদনান, সুহৃদ দত্ত, মো.ফরহাদ, নোমান চৌধুরী রাকিন।
এমকে





