বৃহত্তর পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদ ও পার্বত্য অধিকার ফোরামের ডাকে আজ রোববার সকালে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় ৭২ ঘণ্টার হরতাল শুরু হয়েছে।
সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত মাইক্রোবাস চালক সজীব হাওলাদার হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও অপহৃত তিন বাঙালি ব্যবসায়ীকে উদ্ধারের দাবিতে এ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।
অন্যদিকে, বাঙালি ছাত্র পরিষদ ও পার্বত্য নাগরিক পরিষদ আগামীকাল সোমবার থেকে তিন পার্বত্য জেলায় ৪৮ ঘণ্টার হরতালের ডাক দিয়েছে।
হরতালের শুরুতে পিকেটাররা সদর উপজেলা পরিষদের সামনে রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে হরতালের সমর্থনে বিক্ষোভ প্রর্দশন করে। এ ছাড়া জেলা শহরের বিভিন্ন স্থানে হরতালকারীদের পিকেটিং করতে দেখা গেছে।
হরতালের কারণে জেলার অভ্যন্তরীণ ও দূরপাল্লার সড়কে সকল ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। বন্ধ রয়েছে শহরের অধিকাংশ দোকানপাটও। পায়ে হেঁটে স্কুল কলেজগামী ছাত্রছাত্রী ও কর্মজীবীদের যাতাযাত করতে দেখা গেছে।
বৃহত্তর বাঙালি ছাত্র পরিষদের জেলা সভাপতি মাঈন উদ্দিন অভিযোগ করেন, প্রশাসন হরতাল নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির পাশাপাশি হরতাল প্রত্যাহারের জন্য বাড়িতে তল্লাশি করে নেতাদের হয়রানি করছেন।
খাগড়াছড়ির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এমএম সালাউদ্দিন জানিয়েছেন, হরতালের কারণে যাতে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সেজন্য জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
গত ১৬ এপ্রিল খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙা উপজেলার বাসিন্দা পিকআপ ভ্যান চালক মো. বাহার মিয়া, ব্যবসায়ী মো. সালাউদ্দীন ও মহরম আলী কাঠ কেনার উদ্দেশ্যে জেলার মহালছড়ির মাইসছড়িতে যান।
এরপর সেখান থেকে নিখোঁজ হন তারা। ১৯ দিন পর ও তাদের উদ্ধার করতে পারেনি প্রশাসন। পরিবাগুলোর অভিযোগ, অপহরণকারীদের দাবি অনুযায়ী মুক্তিপণ পরিশোধের পরও মুক্তি না পাওয়ায় তাদের জীবন নিয়ে সংশয়ে আছেন।
এএস





