কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে প্রয়োজনের তুলনায় অর্ধেক চিকিৎসক দিয়ে চলছে স্বাস্থ্য সেবা। সেই সঙ্গে শয্যার তুলনায় দিন দিন রোগী বেড়ে চলছে। ফলে রোগী সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ২০০২ সালে ১০০ শয্যাবিশিষ্ট এ হাসপাতালকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। সেই তুলনায় আজ পর্যন্ত জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়নি।

আট মাস ধরে এখানে জ্যেষ্ঠ মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, জ্যেষ্ঠ সার্জারি বিশেষজ্ঞ, জ্যেষ্ঠ শিশুবিশেষজ্ঞ ও জ্যেষ্ঠ গাইনি বিশেষজ্ঞের মতো চারটি গুরুত্বপূর্ণ পদ শূন্য। এ ছাড়া কনিষ্ঠ বিশেষজ্ঞ গাইনি, অবেদনবিদ, প্যাথলজিস্ট ও জরুরি বিভাগের দুজন চিকিৎসকের পদও শূন্য আছে।

হাসপাতালের সহকারী পরিচালক আজিজুন নাহার বলেন, ২৫০ শয্যার হাসপাতালে সঠিকভাবে সেবা দিতে হলে ৮৫ জন চিকিৎসক প্রয়োজন। সেখানে এখন চিকিৎসক আছেন মাত্র ৪৩ জন। এত কম চিকিৎসক নিয়ে মানুষের সেবা দেওয়া দুরূহ।

তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে একাধিক পত্র দিয়েও কোনো সমাধান হচ্ছে না। গত বুধবারের রেজিস্ট্রার খাতা খতিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালে ৫০০ জন রোগী ভর্তি ছিল।

মেডিসিন বিভাগে পুরুষদের ১৮টি শয্যার বিপরীতে ৪৫ জন, ১৮টি মহিলা শয্যার বিপরীতে ৫০ জন, শিশুদের ২১টি শয্যার বিপরীতে ৬৩ ও ডায়রিয়া জন্য আলাদা বিভাগ আছে। সেখানে আট শয্যার জায়গায় ভর্তি আছেন ৭৯ জন। আজিজুন নাহার দাবি করেন জরুরি ভিত্তিতে অন্তত ১০ জন চিকিৎসক প্রয়োজন।

ঢাকা, ২৫ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এসআর