বাংলাদেশে পাচার হয়ে ফিরে আসা ব্যক্তিদের বিশেষ করে নারীদের সমাজে নতুন করে পুনর্বাসন এবং সচেতনতা বাড়ানোর বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে মানব পাচার প্রতিরোধে ২০১৫-২০১৭ সালের জন্য নতুন জাতীয় কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এমনটাই জানাচ্ছেন সরকারের কর্মকর্তারা।

সেই সঙ্গে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে সন্দেহভাজন দালালদের ওপর নজরদারির বিষয়টিকে।

মানবপাচার প্রতিরোধে সরকারের আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত সচিব আবু হেনা মোহাম্মদ রাহমাতুল মুনীমের বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, পাচারের শিকার হয়ে ফিরে আসা নারীদের সমাজে আবার নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে এক ধরনের সংকট দেখা দেয়। তাদেরকে সমাজে পুনর্বাসিত করাই মূল লক্ষ্য হবে।

এর আগে ২০১২ সালে এ ধরনের একটি জাতীয় কর্ম পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়েছিল।

সেখানে মানবপাচারে করণীয় ও পাচারের শিকার ব্যক্তিদের উদ্ধারের বিষয়টিতে মূলত গুরুত্ব দেয়া হয়েছিল।

আবু হেনা মোহাম্মদ রাহমাতুল মুনীম বলেন, মানুষের আকাঙক্ষা বেড়ে গেছে। ফলে তারা যেকোনোভাবে বিদেশে গিয়ে দ্রুত বড়লোক হওয়ার উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়ছে। কিন্তু এসব কর্ম পরিকল্পনার মাঝেও কিভাবে ব্যাপকহারে লোকজন দেশ ছেড়ে সমুদ্র পথে পাচার হচ্ছে?

জানতে চাইল তিনি বলেন, এটা কর্ম পরিকল্পনার দোষ নয়। তখনও সচেতনতা বাড়ানোর বিষয়ে জোর দেয়া হয়েছিল, তবে কিছুটা দুর্বলতা হয়তো ছিল।

তবে তিনি স্বীকার করেন সবার আগে সচেতনতা তৈরি এবং দালালদের ওপর নজরদারি বাড়ানো জরুরি।

নতুন পরিকল্পনা অনুসারে স্থানীয় সন্দেহভাজন দালালদের ওপর নজরদারি বাড়ানো হবে এবং পাচারকারীদের বিরুদ্ধে মামলার বিষয়ে উদ্যোগ নেয়া হবে বলে তিনি জানান।

ইআর