সদর উপজেলার ভুটিয়ারগাতি গ্রামে সুজন হোসেন (১৯) নামে এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। নিহতের লাশ উদ্ধারের পর রোববার বিকালে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে ময়না তদন্ত করা হয়েছে।

সুজনের বাবার নাম হাসমত আলী। ভুটিয়ারগাতি গ্রামে তাদের বাড়ি বলে জানা গেছে। এ ঘটনার পর থেকে সুজনের চাচা হেকমত আলী ও তার ছেলে এবং স্ত্রী পলাতক রয়েছেন।

ঝিনাইদহ সদর থানার উপ-পরিদর্শক ফজলুর রহমান জানান, গতকাল শনিবার রাতে খাবার খেয়ে সুজন ঘুমিয়ে পড়েন। আজ সকালে বিছানায় তার মৃতদেহ পাওয়া যায়। নিহতের লাশ দাফনের মুহুর্তে খবর পেয়ে পুলিশ দুপুরে সুজনের মৃতদেহ উদ্ধার করে। এরপর ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।

তিনি আরো জানান, সুজনের চাচাতো ভাইদের সঙ্গে তাদের পারিবারিক বিরোধ ছিল। গত ৭ মাস আগে সুজনকে কুপিয়ে তারা আহত করে। ওই ঘটনার পর গ্রাম্য সালিসের মাধ্যমে বিষয়টি মিমাংসা করা হয়।

আজ তার লাশ উদ্ধার করা হলেও তার শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। নিহতের লাশের ময়না তদন্তকারী চিকিৎসক ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ স্বপন কুমার কুন্ডু জানান, ভিসেরা রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্তমৃত্যুর কারণ নির্নয় করা সম্ভব নয়। এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি জিডি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এআই