ভাই দেখছেন তো আমাকে কেমন জায়গায় বসতে দিয়েছে। গতকাল কেন্দ্রে আসার পর থেকেই ৫/৬ বার ব্যলোট পেপার কেড়ে নিতে এসেছে। এখানে নেই কোন বাক্স বা আলমারী যেখানে ব্যলোট পেপার গুলো লুকিয়ে রাখবো। আমি নিজে এমন এক জায়গায় লুকিয়ে রেখে ছিলাম যেখানে কেউ সন্দেহ করবেনা। আজ সারা রাত আমার কোন প্রকার ঘুম হয়নি, সারাক্ষন চিন্তা হচ্ছিলো যে কখন যে কে এসে ব্যলোট পেপার ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

২৮ এপ্রিল তিন সিটি নির্বাচনে কত সহিংসতা হয়েছে তা সবারই জানা। ঢাকা উত্তরের ৩০ নং ওয়ার্ডের একটি ভোট সেন্টারের প্রিজাইডিং অফিসার বলছিলেন এসব কথা।

মঙ্গলবার বিকালে সেই ভোট সেন্টারে প্রবেশের করেই দেখাযায় কিছু যুবক ঘড়ি মার্কা গলাই ঝুলে বুথের ভিতরে দাড়িয়ে আছে আর ভোটাররা ভোট দিচ্ছে। গণমাধ্যমের লোক দেখে তারা চলে যাচ্ছিলো, তারা কে তাদের জানতে চাইলে, বলেন আমরা আনিছ ভাইয়ের লোক।

পরে প্রিজাইডিং অফিসার আমাদের দেখে তার রুমে ডেকে বলেন, ভাই আমর সেন্টারের বিরুদ্ধে লিখবেন না।

বহিরাগতরা বুথে কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভাই দেখছেনতো আমাকে বারান্দায় বসতে দিয়েছে, নির্বাচনী কাজ করার জন্য এবং রুমগুলোও ছোট। গতকাল কেন্দ্রে আসার পর থেকেই স্থানীয় আওয়ামীলিগের লোকজন ৫/৬ বার ব্যলোট পেপার কেড়ে নিতে আসেছে। এখানে নেই কোন বাক্স বা আলমারী যেখানে ব্যলোট পেপার গুলো লুকিয়ে রাখবো। আমি নিজে এমন এক জায়গায় লুকিয়ে রেখে ছিলাম যেখানে কেউ সন্দেহ করবেনা। আজ সারা রাত আমার কোন প্রকার ঘুম হয়নি, সারাক্ষন চিন্তা হচ্ছিলো যে কখনযে কে এসে ব্যলোট পেপার ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

একই কেন্দ্র সকাল ১০টায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে পুলিশ, সংবাদিক জেনে ভিতরে ঢুকতে বাধা দেয়। কেন সাংবাদিকদের প্রবেশ করা যাবেনা জানতে চাইলে এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন উপর থেকে নিষেধ আছে।

সকাল ১০টায় কেন প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়েছিলো প্রিজাইডিং অফিসারকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, তখন স্থানীয় আওয়ামীলিগের নেতা আমার রুমে এসে ধমকাচ্ছিলো। তারা আমার সাথে প্রায় আধা ঘন্টা বাক-বিতন্ডাকরে।

নির্বাচন কমিশনকে এবিষয়ে অভিযোগ করেননি জানতে চাইলে তিনি বলেন,হ্যাঁ অভিযোগ করলে অতিরিক্ত পুলিশ এসে তাদের বের করে দেয়।

এআই/এএইচ