বুধবার নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব কথা বলেন।

পলাশ মাহমুদ লিখেছেন, বাংলাদেশে ট্রেনে যাত্রীদের সিট না পেয়ে ঝুলে বা ছাদে চড়ে বাড়ি ফেরার ঘটনা ঘটে। একই সঙ্গে ট্রেনের টিকিটও প্রায়ই শেষ হয়ে যায়। তার প্রশ্ন, এত যাত্রী পরিবহনের পরও রেলওয়ে কীভাবে নিয়মিত লোকসানে থাকে।

রেলওয়ের পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তার অভিযোগ, রেলের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি অংশের অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে প্রতিষ্ঠানটি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তবে এ ধরনের অভিযোগের জন্য শুধু রাজনীতিবিদদের দায়ী না করে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও জবাবদিহির আওতায় আনার প্রয়োজন রয়েছে বলে মত দেন তিনি।

পলাশ মাহমুদের ভাষ্য, রাজনৈতিক প্রভাব ও কর্মকর্তাদের বদলি এবং সরকারি কেনাকাটাকে ঘিরে অনিয়মের কারণে রেলের বিদ্যমান ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা কঠিন হয়ে পড়েছে। তার মতে, রেলওয়ের মতো বড় একটি খাত বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় লিজ দেওয়া হলে সেবার মান বাড়ানোর পাশাপাশি সরকারের আয়ও বাড়তে পারে।

রেলওয়ের ব্যবস্থাপনা পরিবর্তনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, কর্মকর্তাদের কাজের ক্ষেত্রে সেবার মান ও আয়ের নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। সেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হলে ব্যর্থতার দায় নির্ধারণ করে চাকরির বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ারও প্রস্তাব দেন তিনি।

পলাশ মাহমুদের মতে, সরকারি চাকরির প্রচলিত ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন এনে রেল কর্মকর্তাদের কাজের ফলাফল ও জবাবদিহিকে গুরুত্ব দেওয়া হলে রেলের সেবা ও আয়- দুই ক্ষেত্রেই পরিবর্তন আনা সম্ভব।

এনএইচ