এ সময় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও জেলা শহরের প্রধান সড়ক জুড়ে উপস্থিত হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের মানুষ করতালির মাধ্যমে তাকে স্বাগত জানান।

স্বাগত পর্ব শেষে প্রধানমন্ত্রী পরশুরাম উপজেলার সুবার বাজার সড়কের ঘাটঘর মুহুরী ব্রিজ এলাকার উদ্দেশে রওয়ানা হন। সেখানে তিনি ১ হাজার ৫৪২ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (১ম পর্যায়)’ শীর্ষক মেগা প্রকল্পের ফলক উন্মোচন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।

নির্ধারিত সফরসূচি অনুযায়ী, পরশুরামের অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী ফুলগাজী উপজেলার বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজে যাবেন। সেখানে তিনি কলেজ প্রাঙ্গণে একটি বিশেষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।

এরপর তিনি ফুলগাজী জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় আসবেন। সেখানে সরকারি ভবনের ছাদে স্থাপিত ‘রুফটপ সোলার’ থেকে জাতীয় গ্রিডে সৌরবিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন এবং সাময়িক বিশ্রাম নেবেন।

বিকেলে ফুলগাজী সরকারি পাইলট হাই স্কুল মাঠে সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে তিনি স্থানীয় অধিবাসীদের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানি ভাতা প্রদান করবেন।

দিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় এসব কর্মসূচি সমাপ্ত করে বিকেল ৫টায় সড়কপথে ঢাকার উদ্দেশে রওয়ানা হওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। রাত ৯টার দিকে তার রাজধানী ঢাকায় পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর বহুল প্রতীক্ষিত এই সফরকে ঘিরে যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুরো জেলায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (এসএসএফ)-এর পাশাপাশি দুই হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য, র‍্যাব, ৯ প্লাটুন বিজিবি, কোস্টগার্ড ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা নিয়োজিত রয়েছেন। সভামঞ্চসহ সম্পূর্ণ এলাকাকে রেড জোন, ইয়েলো জোন ও হোয়াইট জোন—এই তিন স্তরের বিশেষ নিরাপত্তা বলয়ে ভাগ করা হয়েছে।

এস