বাংলাদেশে ভুটানের স্থায়ী দূতাবাস ভবন করার জন্য রাজধানীর গুলশান-বারিধারার কূটনৈতিক জোনে জমি খোঁজা হচ্ছে।
ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিষয়টি অবহিত করার পর এ সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন দুই দেশের সংশ্লিষ্টরা।
গতকাল চুক্তি স্বাক্ষরের পর আজ ভুটানের রাষ্ট্রদূত রিনজিন দরজি গুলশানের কয়েকটি জায়গা ঘুরে দেখেছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
গুলশান-বারিধারাতে না হলে বনানী অথবা ধানমন্ডি এলাকাকে বেছে নিতে পারেন তারা। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ আইচ এম মাহমুদ আলী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, উভয় দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি হয়েছে।
ভুটানকে একটি বাণিজ্যিক জোন তৈরি করে দেওয়া হবে। এছাড়া দীর্ঘদিনের একটি দাবি ছিল, দূতাবাস তৈরির জন্য জমি বরাদ্দ। এ সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে উভয় দেশ।
এদিকে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভুটান অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (পিটিএ) স্বাক্ষরে সম্মত হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘২০০৯ সালে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথম ভুটান সফর করেন। সে সময় দুই দেশ একটি বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল যার আওতায় উভয় দেশ ৭৪টি পণ্যের প্রবেশাধিকারের ব্যাপারে সম্মত হয়।’
এদেকি আগামীকাল বিকেলে চীনের একটি উচ্চ পর্যায়ের বাণিজ্য প্রতিনিধি দল শীর্ষ বণিক সমিতি এফবিসিসিআই’র সঙ্গে বৈঠক করবেন। চীনে বাংলাদেশি পণ্যের রফতানি বাড়াতে কি কৌশল নেয়া যায় সেই বিষয়টি গুরুত্ব পাবে বৈঠকে।
জেএ





