করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে পুরুষ ১৯ জন ও নারী ১৭ জন। ৩৫ জন হাসপাতালে ও বাড়িতে একজনের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ হাজার ৫৫২ জনে।

একই দিনে করোনা আক্রান্ত নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন আরও ১ হাজার ৮৯২ জন। ফলে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৩ লাখ ২৯ হাজার ২৫১ জনে।

মঙ্গলবার (০৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে করোনাভাইরাস বিষয়ক স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৩৬ জন। এ নিয়ে মোট ৪ হাজার ৫৫২ জনের মৃত্যু হলো। ২৪ ঘণ্টায় ৩ হাজার ২৩৬ জন এবং এখন পর্যন্ত ২ লাখ ২৭ হাজার ৮০৯ জন সুস্থ হয়েছেন। নমুনা পরীক্ষায় গত ২৪ ঘণ্টায় এক হাজার ৮৯২ জন এবং এখন পর্যন্ত ৩ লাখ ২৯ হাজার ২৫১ জন শনাক্ত হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ১২ দশমিক ৬৪ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৬৯ দশমিক ১৯ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৩৮ শতাংশ।

এতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫ হাজার ১৪২টি নমুনা সংগ্রহ এবং ১৪ হাজার ৯৭৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১৬ লাখ ৫৯ হাজার ৬৯৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ১৯ জন পুরুষ এবং ১৭ জন নারী। এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ৫৫৩ জন পুরুষ এবং ৯৯৯ জন নারী মারা গেছেন। ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ষাটোর্ধ্ব ২২ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৬ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৪ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ২ জন এবং ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে ২ জন রয়েছেন।

বিভাগ বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঢাকা বিভাগে ১৬, চট্টগ্রামে ৬, রাজশাহীতে ২, খুলনায় ৮, বরিশালে ২, সিলেটে ১ এবং রংপুরে ১ জন রয়েছেন। তাদের মধ্যে হাসপাতালে ৩৫ জন এবং বাড়িতে ১ জন মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতর আরও জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে রাখা হয়েছে ৩৬৩ জনকে। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১৮ হাজার ৯০৭ জন। আইসোলেশন থেকে ২৪ ঘণ্টায় ৬২৭ জন এবং এখন পর্যন্ত ৫৬ হাজার ২২৬ জন ছাড় পেয়েছেন। এখন পর্যন্ত আইসোলেশন করা হয়েছে ৭৫ হাজার ১৩৩ জনকে। প্রাতিষ্ঠানিক ও হোম কোয়ারেন্টিন মিলে ২৪ ঘণ্টায় কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে ১ হাজার ৬২৫ জনকে।

কোয়ারেন্টিন থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় এক হাজার ৬৬৬ জন এবং এখন পর্যন্ত ৪ লাখ ৫৬ হাজার ৮৭৬ জন ছাড় পেয়েছেন। এখন পর্যন্ত কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে ৫ লাখ ৮ হাজার ৩৯৬ জনকে। বর্তমানে কোয়ারেন্টিনে আছেন ৫২ হাজার ৮৫ জন।

এমবি