কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে মিষ্টির দোকান, বেকারীসহ খাবারের হোটেলগুলোতে নোংড়া পরিবেশে জমজমাট ব্যবসা করছে। মিষ্টির দোকানগুলোতে বাসি ও পঁচা মিষ্টি বিক্রি করছে। পাশাপাশি খাবারের হোটেলগুলোতে বাসি পঁচা খাবার বিক্রি করা হচ্ছে। যা দেখার বা বলার কেউ নেই।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, রৌমারী উপজেলার দাঁতভাঙ্গা বাজারের বিভিন্ন মিষ্টি দোকানে ২/৩ দিনের বাসি ও পঁচা মিষ্টি নতুন করে বানিয়ে ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করছে। তারা বিভিন্ন ধরনের মিষ্টিতে নিম্নমানের ময়দা, পাউডার এবং ক্যামিক্যাল মিশিয়ে মিষ্টি তৈরী করা হচ্ছে। যা মানব দেহের জন্য অত্যান্ত ক্ষতিকর।

মিষ্টি দোকানের মিষ্টির কারখানাগুলোতে মালিকেরা বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি তৈরী করছে। উক্ত মিষ্টির কারখানার মধ্যে সর্বক্ষন মাছি তেলাপোকা হাটাহাটি করছে। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তারা মিষ্টি সংরক্ষন করছে। হোটেলগুলোতে পচা, বাসি খাবার বিক্রি করছে ২/৩ দিনের তরকারী ও মাছ মাংশ। ফের নতুন করে আগুনে জালিয়ে গরম করে বিক্রি করছে। হোটেলগুলোর পরিবেশ অত্যান্ত নোংড়া।

হোটেলগুলোর পিছনে রান্না ঘরে ঢুকলে চোখে পড়বে কিভাবে হোটেল কর্তৃপক্ষ খাবার তৈয়ার করছে। কোন কোন খাবারে মাছি ও তেলাপোকা বসে উক্ত খাবারের মধ্যে পায়খানা করছে এবং বিড়াল প্রতিনিয়ত ঘরের মধ্যে আনা গোনা করছে। থালা, প্লেট, গ্লাস উক্ত বিড়ালে চাটাচাটি করছে। হোটেল বয়রা আবার কোন মতে উক্ত থালা, প্লেট, গ্লাস এক রকম ধুয়ে নতুন করে ক্রেতাদের সামনে খাবার পরিবেশ করছে। হোটেলগুলোর পরিবেশ দেখে মনে হবে সর্বক্ষন সেখানে রোগ জীবানু কিলকিল করছে। যাহার দেখার এবং বলার কেউ নেই।

ওএফ