সিলেটে বর্বরোচিতভাবে কিশোর সামিউল আলম রাজন হত্যা মামলায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে আলী হায়দার।
বৃহস্পতিবার বিকেলে সিলেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১-এর বিচারক সাহেদুল করিমের আদালতে হত্যাকানণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেয় আলী।
বিকেল ৩টা থেকে প্রায় ২ ঘণ্টাব্যাপী জবানবন্দি দেয় সে।
আলী হায়দারের বরাত দিয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক সুরঞ্জিত তালুকদার জানান, সামিউলকে যখন চোর অপবাদ দিয়ে খুঁটির সঙ্গে বাঁধা হয়, তখন আলী সেখানে ছিল না। তার ভাই কামরুল ইসলামের ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় সে।
পরে অন্যদের সঙ্গে সেও মারধরে অংশ নেয়।
এ নিয়ে মোট সাতজন আসামির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে।
এর আগে দুলাল মিয়া, আলী হায়দারের ভাই মুহিদ আলম, ভিডিওচিত্র ধারণকারী নূর আহমদ, নির্যাতনকারী ময়না চৌকিদার ও প্রত্যক্ষদর্শী আজমত উল্লাহ ও ফিরোজের জবানবন্দির রেকর্ড করা হয়।
গত ৮ জুলাই সামিউলকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।
এমকে





