নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নার মুক্তির জন্য বিচার বিভাগের সাহায্য কামনা করেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘মান্নার মতো রাজনীতিবিদকে আটক রাখলে জাতি অপমানিত হয়, এটা গণতন্ত্রের লঙ্ঘন। এখন তো কথায় কথায় জেলে পাঠানো হচ্ছে। এসব প্রতিরোধে আদালতের একটা ভূমিকা রয়েছে।’

মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মাহমুদুর রহমান মান্নার মুক্তির দাবিতে নাগরিক ঐক্য আয়োজিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, ‘মান্না অপরাধী হলে তার বিচার করুন। কিন্তু তাকে এভাবে আটকে রাখতে হবে কেন? তাকে মুক্তি দিলে তিনি তো আর পালিয়ে যাবে না। তাকে ছেড়ে দিয়ে বিচার করুন।’

মানববন্ধনে সংহতি জানিয়ে মান্নার মুক্তির দাবি জানান বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান।

মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন নাগরিক ঐক্যের কেন্দ্রীয় নেতা আবু বকর সিদ্দিক, শহিদুল্লাহ কায়সার, আতিকুর রহমান , ইফতেখার আহমেদ বাবু প্রমুখ।

সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার লক্ষ্যে সেনাবাহিনীকে উৎসাহিত করতে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির সঙ্গে ভাইবারে উস্কানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে গুলশান থানায় ২৪ ফেব্রুয়ারি মান্নার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

ওইদিনই সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে ধানমণ্ডির স্টার কাবাবের সামনে থেকে র‌্যাব-২ মাহমুদুর রহমান মান্নাকে আটক করে।

মাহমুদুর রহমান মান্না ও বিএনপি নেতা সাদেক হোসেন খোকার মধ্যকার ফোনালাপ এবং মান্না ও অজ্ঞাত এক ব্যক্তির ফোনালাপের দু’টি অডিও ক্লিপ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পরই মান্নাকে নিয়ে সারাদেশে তোলপাড় শুরু হয়।

এএইচ