ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো: আতিকুল ইসলাম বলেছেন, মশা এই মুহূর্তে আমাদের জন্য বড় ‘থ্রেটেনিং’। মশা নিয়ন্ত্রণে আমরা ইতোমধ্যে ক্রাশ প্রোগ্রাম হাতে নিয়েছি। আগামী ৮ মার্চ থেকে অভিযান চলবে।
শনিবার (০৮ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর বনানী ১ নম্বর রোডে শহিদ যায়ান চৌধুরী মাঠ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তেব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মেয়র আতিক বলেন, ৮ মার্চ ডিএনসিসির সকল কর্মকর্তা, মশক নিধন কর্মী, মশক নিধন সম্পর্কিত সকল যন্ত্রপাতি, পরিচ্ছন্নতা কর্মী অঞ্চল-২ নিয়ে যাওয়া হবে। তারপর সমন্বিত মশক নিধন অভিযান পরিচালিত হবে। এটি হবে অঞ্চল ভিত্তিক ক্রাশ প্রোগ্রাম। এরপরের দিন অঞ্চল-৪ অভিযান পরিচালিত হবে। এভাবে সকল অঞ্চলে ১৬ মার্চ পর্যন্ত (শুক্রবার ব্যতীত) এ ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করা হবে। একটি অঞ্চলে মোট চোদ্দশ মশক নিধন কর্মী কাজ করবে। ১৬ মার্চ প্রথম দফা ক্রাশ প্রোগ্রাম শেষ হওয়ার পরে এক দিন বিরতি দিয়ে আবার ক্র্যাশ প্রোগ্রাম শুরু হবে। একদল বিশেষজ্ঞ কীটতত্ত্ববিদ থাকবেন। তারা ক্রাশ প্রোগ্রামটি সঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে কিনা তা মনিটরিং করবেন। মশার কীটনাশকের কার্যকারিতা পরীক্ষা করবেন।
ডিএনসিসি’র মেয়র বলেন, কিছুদিন আগে আমরা বিচারপতি শাহাবুদ্দিন পার্ক, উদায়াচল পার্ক উদ্বোধন করেছি। সেখানে সবাই খেলতে আসে, কোন ধরনের বাধা নেই। আমরা মাঠ ও পার্কগুলো সুষ্ঠুভাবে ব্যবস্থাপনার জন্য উন্মুক্ত দরপত্র আহবান করছি। যাকে মাঠ ব্যবস্থাপনার জন্য দেব, তার মাঠ সম্পর্কে, খেলা সম্পর্কে, মাঠ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আগামীর ভবিষ্যৎ শিশু-কিশোররা এবং নারীরাও এই মাঠে খেলতে পারবে। এমনকি পথ শিশুরাও যাতে এখানে খেলতে পারে। রাতেও যাতে খেলাধুলা করা যেতে পারে সেজন্য ব্যবস্থা করা হবে। এই মাঠের আশেপাশে যারা আছে, সবাই যেনো এখানে এসে খেলতে পারে। নিরাপত্তার জন্য ক্যামেরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। শহিদ যায়ান চৌধুরী এই মাঠে খেলতো, তাই তার নামে এই মাঠটির নামকরণ করা হয়েছে।
এর আগে শহিদ যায়ান চৌধুরী মাঠ উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি শেখ ফজলুল করিম সেলিম এমপি। এসময় উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস্ পরশ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, এফবিসিসিআই এর প্রেসিডেন্ট শেখ ফজলে ফাহিম প্রমূখ।
এমবি





