দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটের উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানম ও তাঁর বাবাকে সরকারি বাসভবনে কুপিয়ে জখম করার ঘটনা প্রসঙ্গে রংপুর বিভাগীয় কমিশনার আব্দুল ওয়াহাব ভুঁইয়া বলেছেন, “আমার ধারণা, ইউএনওকে মেরে ফেলার জন্য দুর্বৃত্তরা এই কর্মকাণ্ড চালিয়েছে। আমরা আশাবাদী, তদন্তে সত্যটা বেরিয়ে আসবে।”

গতকাল (০৯ সেপ্টেম্বর) বুধবার দুপুরে রংপুর বিভাগীয় কমিশনার হিলি স্থলবন্দর ও উপজেলা পরিষদ কার্যালয় পরিদর্শনে আসেন। এ সময় তিনি বন্দরের পানামা পোর্টের সভাকক্ষে ব্যবসায়ী, কাস্টমস কর্মকর্তা, পানামা পোর্ট কর্তৃপক্ষ, পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এরপর তিনি সাংবাদিকদের এই কথা বলেন।

বিভাগীয় কমিশনার বলেন, “এ ঘটনায় তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ না হলে চূড়ান্ত কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে আপাতত মনে হচ্ছে তাঁকে (ইউএনও) হয়তোবা মেলে ফেলার জন্য আসা হয়েছিল, এ রকম একটা ধারণা নিচ্ছে সবাই এবং আমারও মনে হয়েছে এ রকম কিছু হতে পারে। যাক, আল্লাহর রহমতে বেঁচে গেছে। আমরা আশাবাদী সত্যিটা বেরিয়ে আসবে এবং দুর্বৃত্তদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে। তাদের সর্বোচ্চ সাজা নিশ্চিত করতে পারব।”

হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুর রাফিউল আলমের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় আরো বক্তব্য দেন দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মাহমুদুল আলম, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হারুন উর রশিদ, কাস্টমস উপকমিশনার সাইদুল আলম, পৌর মেয়র জামিল হোসেন চলন্ত, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শাহীনুর রেজা শাহীন, পানামা পোর্টের পরিচালক রফিকুল ইসলাম চৌধুরী প্রিন্স, বাংলা-হিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল আজিজ সরদার।

এরপর বিভাগীয় কমিশনার আব্দুল ওয়াহাব ভুঁইয়া বন্দরের পানামা পোর্টের বিভিন্ন অবকাঠামো ঘুরে দেখেন। পরে তিনি উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করেন।

এমবি