বগুড়ায় দেশীয় বড় জাতের চিংড়ি মাছের মাথার ভিতর সিরিজ দিয়ে কৌশলে ক্ষতিকর জেলি প্রবেশ করে বিক্রির অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত চার মাছ ব্যবসায়ীকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।
গতকাল মঙ্গলরার বিকেলে শহরের রাজাবাজার এলাকায় এ জরিমানা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহি ম্যাজিষ্ট্রেট মোবাশ্বের আলম সাংবাদিকদের জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজাবাজার মাছ বাজারে অভিযান চালিয়ে ৬০ কেজি মাছ উদ্ধার এবং মাছ বিক্রেতাদের ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযুক্তদের মধ্যে মাছ ব্যবসায়ী আব্দুল খালেককে ২৫ হাজার, হাবিল, বাকি ও হাবিবুর রহমানকে ৫ হাজার করে জরিমানা করা হয়।
জানা যায়, অসাধু ব্যবসায়ীরা অধিক লাভের আশায় ও ওজন বাড়ানোর জন্য চিংড়ি মাছের ভিতরে বিশেষ ভাবে সিরিজের মাধ্যমে ক্ষতিকর জেলি ভরে বিক্রি করে আসছিলেন ।
এ প্রসঙ্গে বগুড়া পৌরসভার স্বাস্থ্য পরিদর্শক শাহ আলী জানান, বিদেশে রপ্তানির পর যে চিংড়িগুলো বিদেশে পাঠানো সম্ভব হয়না বা বিদেশে পাঠানো যায় না, ওই চিংড়িগুলো খুলনা থেকে কম মূল্য দিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা বগুড়ায় নিয়ে আসে।
পরবর্তিতে বিশেষ কায়দায় তাতে জেল ঢুকিয়ে ওজন বাড়িয়ে বগুড়াসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হয়। ব্যবসায়ীরা জেনে শুনেই এসব চিংড়ি কম মুল্যে নিয়ে এসে বাজারে বিক্রি করে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল বিকেলে সেখানে অভিযান চালিয়ে ৬০ কেজি মাছ উদ্ধার এবং মাছ বিক্রেতাদের ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত চলাকালে উপস্থিত ছিলেন, নির্বাহি ম্যাজিষ্ট্রেট মোবাশ্বের আলম ছাড়াও বগুড়া সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মিজানুর রহমান,বগুড়া পৌরসভার সেনেটারী ইন্সেপেক্টর শাহ আলী, বগুড়া সদর থানা পুলিশের এসআই আতাউর রহমানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ।
জেড





