দেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ণ হবে এরকম কারও সাথে বর্তমান সরকার বন্ধুত্ব করতে চাই না বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বুধবার দুপুরে আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকায় বিআরটিএর পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এ কথা বলেন মন্ত্রী।

তিনি জানান, গুলশান ও শোলাকিয়ার ঘটনা তদন্তে এরই মধ্যে এফবিআইকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আমরা নিজেরাই নিজেদের সমস্যা সমাধান করতে পারব, এমনটি ভাবছি না। দেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ণ হবে এমন কোনো সিদ্ধান্ত সরকার নেবে না। পরস্পরের সহযোগিতা এখন জরুরি হয়ে পড়েছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ট্র্যাকিং ডিভাইস ব্যবহারে যুক্তরাষ্ট্র আমাদের চেয়ে অনেক উন্নত। যেসব বিষয়ে আমাদের অভিজ্ঞতা কম এবং টেকনিক্যাল সাপোর্টের অভাব রয়েছে, সেসব বিষয়ে শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, উন্নত সব দেশ থেকেই সহায়তা নেয়া হবে।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, জঙ্গিবাদ সমস্যা বাংলাদেশের একার সমস্যা নয় এটা আন্তর্জাতিক সমস্যা। এ সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় আন্তর্জাতিকভাবে পারস্পরিক তথ্য, টেকনিক্যাল সহযোগিতা আদান-প্রদান হতেই পারে। যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক

সহকারি পররাষ্ট্র মন্ত্রী নিশা দেশাই বিসওয়াল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন। কী কী বিষয় আদান প্রদান হতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

তিনি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সহ দেশের সকলকে উগ্রবাদ ও জঙ্গি দমনে সহায়তার জন্য সামাজিক আন্দোলনে যোগ দেওয়ার আহবান জানান তিনি।

এ সময় মন্ত্রী হাইওয়ের পাশে ময়লা আবর্জনা যারা ফেলবে, তাদের বাড়ির সামনে ময়লা রেখে আসার জন্য সড়ক ও জনপথের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নির্দেশ দেন।

পুলিশের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ইজিবাইক চলাচলে জিরো টলারেন্স। কোনোভাবেই এটি সড়কে চলতে দেয়া যাবে না। দেখামাত্র ব্যাটারি খুলে নেয়ারও নির্দেশ দেন তিনি। হোন্ডায় ৩ জন চলাচল যেকোন মূল্যে বন্ধ করতে হবে। শিশুকে হোন্ডায় ওঠানো যাবে না এবং চালক ও আরোহীর হেলমেট অবশ্যই থাকতে হবে।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আতাউর রহমান, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক হাসান তুহিনসহ সড়ক বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এআই