খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। এখানে নিয়মিত না আসলেও প্রাইভেট ক্লিনিকগুলোতে সময় দেয়া ছাড়াও সেবার মান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ভুক্তভোগী রোগীর স্বজনেরা। এদিকে আয়াকে দিয়ে রোগী দেখার দৃশ্য ধরা পড়েছে। এ ব্যাপারে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান জরোর সিভিল সার্জন।
স্বজনদের ঘিরে দেয়া চাদরের ভেতরে একজন আয়া চিকিৎসা দিচ্ছিল অসুস্থ এক রোগীকে। বেশি অসুস্থ হওয়ার কারণে হাঁটতে না পারায় বাহিরে সেবা নেয়ার কথা জানায় রাজশাহীর মোহনপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়া।
মোহনপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আয়া সুরুত জান বলেন, সিঁড়ি দিয়ে উঠতে তার কষ্ট হবে বলে তাকে চাদরের ভেতরে ঢেকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
এটা বাহিরের চিত্র, ভেতরের চিত্র যে সন্তোষজনক তা নয়। এখানে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের অভিযোগ, কর্তব্যরত ডাক্তাররা নিয়মিত সরকারি এই হাসপাতালটিতে না বসলেও প্রাইভেট ক্লিনিকে ঠিকই সেবা দিয়ে থাকেন। পাশাপাশি সরকারী ওষুধপত্র বিনামূল্যে না দেয়া ছাড়াও নিম্নমানের খাবার রোগীদের সরবরাহ করা হয় বলে অভিযোগ রোগী ও তাদের স্বজনদের।
এ ব্যাপারে কথা বলতে চাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনার এই কর্মকর্তা দায় চাপান কর্তব্যরত নার্সদের ঘাড়ে।
রাজশাহী মোহনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা মো. জামাল উদ্দিন শেখ বলেন, "আমাদের এখানে যা সরবরাহ করা হয়। অবশ্যই ভাল মানের খাবার দেয়া হয়। আর আমি সবসময় রোগীদের কাছে গিয়ে আমি জিঙ্গাসা করি।"
রাজশাহী সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুস সোবহান বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা ছাড়াও চিকিৎসক ব্যতীত অন্য কেউ যেন রোগীর সেবা না দেন এ বিষয়ে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
৩১ শয্যা বিশিষ্ট মোহনপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৯ জন চিকিৎসকরে রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেয়ার কথা। এখানকার এক্স-রে মেশিনটি দশ বছরেরও বেশি সময় ধরে অকেজো হয়ে পড়ে রয়েছে।
ঢাকা, ৫ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই





