২০ আগষ্ট দুপুরে বান্দরবান পার্বত্য জেলায় আত্মসমর্পণ করে দুই শীর্ষ জঙ্গী। আত্মসমর্পণের পর জঙ্গিরা আদালতে জামিন চাইলে তাদের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠায় আদালত।

পুলিশ সূত্র ও আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. জয়নাল অবেদীন বলেন, ২০১১ সালে সারাদেশে জঙ্গী ও সন্ত্রাসী বিরোধী অভিযান চলাকালে বান্দরবানেও অভিযান চালানো হয়।

এ সময় জঙ্গী গোষ্ঠীর অন্যতম নেতা এবং বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সাময়িক বরখাস্তকৃত শিক্ষক শামীম মাহফুজ(৪১)ও তার সহযোগী মোহাম্মদ ইসমাইল(৩৬) বান্দরবান পার্বত্য জেলার থানচি উপজেলার বলিপাড়া থেকে গ্রেফতার হয়েছিলেন।

গ্রেফতার করার সময় তাদের সাথে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক দ্রব্যসহ জঙ্গি সম্পৃক্ততার দলিলও উদ্ধার হয়েছিল।হাইকোর্ট থেকে ২০১৪ সালে জামিনে মুক্ত পায় তারা। এর পর থেকেই তারা পলাতক ছিলেন।

বান্দরবানের বিশেষ ট্রাইবুনালে ওই সংক্রান্ত বিষয়ে মামলা বিচারাধীন ছিল। মামলা নং বিশেষ ট্রাইবুনাল- ১৫/১১ জিআর-৫৩/১১ এবং থানচি থানা মামলা নং-২, তারিখ- ২৯.৩/১১,সন্ত্রাস বিরোধী আইনের ৬(২)/১১ মুলে মামলা রয়েছে। একই মামলায় ফয়েজুর রহমান নামে আরও একজন জঙ্গি সহযোগী পলাতক রয়েছেন।

এসব মামলার প্রেক্ষিতে ওই তিন জঙ্গির বিরুদ্ধে বান্দরবানের বিশেষ ট্রাইবুনাল-১ এ মামলা চলমান ছিল।

গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭ তারিখে মামলাগুলোর স্বাক্ষী গ্রহণের দিন ধার্য্য ছিল। এর আগেই আজ রবিবার নথি উপস্থাপনের মাধ্যমে জঙ্গি নেতা শামীম মাহফুজ ও তার সহযোগী মোহাম্মদ ইসমাইল বান্দরবান জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিশেষ ট্রাইবুনাল-১ এ আত্মসমর্পণ করলে বিজ্ঞ বিশেষ ট্রাইবুনাল-১ এর বিচারক এবং জেলা ও দায়রা জজ লামং তাদের জামিন না মন্জুর করে তাকে কারগারে পাঠানোর নির্দেশ প্রদান করেন।

রিমন/জেড