রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী পৌরসভার মেয়র নজরুল ইসলাম মাস্টারের বিরুদ্ধে দুর্র্নীতির অভিযোগে পৌরবাসীর উদ্যোগে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
রোববার বেলা ১২টার দিকে ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচি পালিত হয়।
মাবনবন্ধন চলাকালে সমাবেশে বক্তারা বলেন, পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম মাস্টার ২০১১ সালে উপনির্বাচনে মেয়র নির্বাচিত হন। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে পৌরসভার অর্থ আত্মসাত ও ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন।
এছাড়া তিনি স্থানীয় সরকার বিভাগের পৌর-২ শাখা থেকে ২০১১-২০১২ ও ২০১৩-২০১৪ অর্থবছরে প্রাপ্ত পাঁচ কোটি টাকা সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীর যোগসাজশে ভুয়া দরপত্র, ভুয়া কোটেশন এবং কাউন্সিলরদের নামে ভুয়া বিল ভাউচার তৈরি করে পৌরসভার জনতা ও সোনালী ব্যাংকের চলতি হিসাব থেকে টাকা উত্তোলন করে আত্মসাত করেছেন।
বক্তারা বলেন, পৌর এলাকার কয়েকটি হাটের ইজারার এক কোটি ১০ লাখ টাকা আত্মসাত করেছেন পৌর মেয়র। এছাড়া ভূমি হস্তান্তর বাবদ এক লাখ ৩০ হাজার টাকা আত্মসাত করেছেন মেয়র। এডিপির রাস্তা নির্মাণের এক কোটি ৬ লাখ টাকাও আত্মসাত করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, এসব অভিযোগ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে তিন নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আফতাব প্রামাণিক গত ১৭ নভেম্বর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব বরাবর অভিযোগ করেন। বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় থেকে ২০ নভেম্বর অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে এক পত্রে জানা গেছে।
মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য দেন : পৌর প্যানেল মেয়র-১ ও ৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সলর মুক্তার আলী, বিভিন্ন ওয়ার্ডের রজব আলী, শাহিদুল ইসলাম, ফারুক হোসেন, বাবুল হোসেন, আকরাম হোসেন প্রমুখ।
এ দিকে অভিযোগের ব্যাপারে পৌর মেয়র নজরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, যা কিছু করি পৌর পরিষদের সম্মতি ও সিন্ধান্ত অনুযায়ীই করা হয়। পৌর পরিষদের সবার সঙ্গে আমার সমন্বয় রয়েছে। একটি মহল আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এ ধরনের কর্মসূচি পালন করছে।
জেআই





