রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু চির সঙ্গে আজ সকাল ১০টায় বৈঠকে বসছেন সফররত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
এদিকে মঙ্গলবার মিয়ানমারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কায়ো সোয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর দেশটির নিরাপত্তা উদ্বেগ নিরসনে দু’দেশের মধ্যে দুটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। বুধবার ঢাকায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।
এমওইউ দুটি বর্ডার লিয়াজোঁ অফিস স্থাপন এবং নিরাপত্তা সহযোগিতা ও সংলাপ নিয়ে। বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে ২৭১ কিলোমিটার স্থলসীমান্ত রয়েছে। এতে কোনো প্রকার জঙ্গি তৎপরতা হলে তা দমন করতে সীমান্তরেখার দু’দিকে দুটি লিয়াজোঁ অফিস স্থাপন করা হবে। কোনো জঙ্গি কিংবা সন্ত্রাসী তৎপরতার খবর পাওয়া গেলে লিয়াজোঁ অফিসগুলো পরস্পরের মধ্যে যোগাযোগ করে তা দমন করবে।
অন্যটিতে বলা হচ্ছে- নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়াতে প্রতি বছর একবার করে দ্বিপক্ষীয় সংলাপে বসবে দুই দেশ। এ সংলাপের মাধ্যমে সমস্যা চিহ্নিত করে সেগুলো নিরসন করা হবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও আলোচনা হয়েছে। সিদ্ধান্ত হয়েছে, ৩০ নভেম্বরের মধ্যে জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা হবে।
এই গ্রুপ যাচাই-বাছাই করে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠাবে। এছাড়া রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়ার পাশাপাশি কফি আনান কমিশনের রিপোর্ট বাস্তবায়ন করতে রাজি হয়েছে মিয়ানমার। মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফ মো. অপুও এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
সম্প্রতি মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলরের দফতরের মন্ত্রী অং মিন্ট সোয়ে বাংলাদেশ সফরকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মিয়ানমার সফরের আমন্ত্রণ জানান। ওই আমন্ত্রণে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সোমবার তিন দিনের সফরে মিয়ানমার যান। মিয়ানমারের মন্ত্রীর সফরকালে রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে যৌথ ওয়ার্কিং কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছিল।
জারিফ





