লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মান্দারী ইউনিয়নের দক্ষিণ মান্দারী এলাকা থেকে জাহেদা বেগম ও বিজয়নগর থেকে আসমা বেগম নামে দুই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১১ জানুয়ারি) সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহ দু’টি লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
গৃহবধূ জাহেদা বেগম লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মান্দারী ইউনিয়নের বাসিন্দা সোলায়মানের স্ত্রী ও একই উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের আবদুস সাত্তারের মেয়ে। আসমা বেগম বিজয়নগরের দক্ষিণ হামছাদী গ্রামের মো. হোসেনের স্ত্রী।
নিহত জাহেদা বেগমের বাবা আবদুস সাত্তার জানান, বিয়ের পর থেকে কয়েক দফা যৌতুকের টাকা নেন জাহেদার স্বামী সোলায়মান। সম্প্রতি মোটা অংকের টাকার জন্য চাপ দেন জাহেদার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন।
যৌতুকের জন্য প্রায়ই জাহেদাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন তার স্বামী। এ নিয়ে একাধিকবার স্থানীয়ভাবে বৈঠকও হয়েছে।
জাহেদার বাবার অভিযোগ পরিকল্পিতভাবে রোববার (১০ জানুয়ারি) রাতের কোনো এক সময় তার মেয়েকে শ্বাসরোধ ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরে ঘরের আড়ার সঙ্গে মরদেহ ঝুলিয়ে রেখে আত্নহত্যা করেছে বলে প্রচার চালায়।
এদিকে, অপর গৃহবধূ আসমা বেগমকে যৌতুকের জন্য হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্বজনদের অভিযোগ স্বামী মো. হোসেন ও তার পরিবারের লোকজন যৌতুকের টাকার জন্য আসমাকে পিটিয়ে হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখে।
সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) মো. নাসিম মিয়া জানান, দুই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এমকে





