মোবাইল ব্যবসায়ী ও কর্মচারীকে হত্যার নয় বছর পর ১২ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে নোয়াখালীর একটি আদালত।

বুধবার অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ এ এন এম মোরশেদ খান এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডিতরা হলেন মোফাজ্জল হোসেন জাবেদ, এলজি কামাল, কামরুল হাসান সোহাগ, রাশেদ ড্রাইভার, আবদুস সবুর, জাফর হোসেন মনু, আলি আকবর সুজন, শামছুদ্দিন ভুট্টু, সাহাব উদ্দিন, নাছির উদ্দিন মঞ্জু, আবু ইউসুফ সুমন ও তোফাজ্জল হোসেন জুয়েল।

এদের মধ্যে আবু ইউসুফ সুমন ও তোফাজ্জল হোসেন জুয়েল ছাড়া বাকিরা পলাতক রয়েছেন।

রায় ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে জজ আদলতের পিপি এ টি এম মহিব উল্লাহ ১৩ জনের মৃত্যুদণ্ডের কথা জানালেও রায়ের কপি পাওয়ার পর ১২ জনের কথা নিশ্চিত হওয়া যায়।

মহিব উল্লাহ জানান, ২০০৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি রাতে শহরের ‘মোবাইল ফেয়ারের’ মালিক ফিরোজ কবির মিরণ ও তার দোকানের কর্মচারী সুমন পাল নগদ ১৩ লাখ টাকা ও কিছু মোবাইল ফোন সেট নিয়ে রিকশায় বাড়ি ফিরছিলেন।

“পথে নাপিতের পুল এলাকায় সন্ত্রাসাসীরা তাদের দুজকে মাইক্রোবাসে তুলে নেয়। পরে টাকা ও মালামাল ছিনিয়ে নিয়ে তাদেরকে কুপিয়ে খুন করে মরদেহ সড়কের পাশে ফেলে যায়।”

 এই ঘটনার পরদিন নিহত মিরনের বাবা এবি সিদ্দিক বাবুল মিয়া বাদী হয়ে ২৩ জনকে আসামি করে সুধারাম মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন বলে জানান তিনি।

 পিপি আরও জানান, মামলার অপর ১০ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে এবং সোলাইমান জিসান নামে এক আসামি আগে র‌্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন।

এ মামলায় ৩৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয় বলে জানান তিনি।

ওএফ