সাগরে মাছ ধরার সময় নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার ২০ জেলে ও মাঝি মাল্লাকে অপহরণের পর মুক্তিপণ দাবি করছে জলদস্যুরা।

রোববার রাতে বঙ্গোপসাগরের সাঙ্গু গ্যাসফিল্ড এলাকায় এই অপহরণের ঘটনা ঘটে। সোমবার দুপুরে মাছধরা দুই ট্রলার ২ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে মুক্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে এই রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত অপহৃত জেলে ও মাঝি মাল্লাকে নিয়ে কোষ্টগার্ড ও ট্রলার মালিক পক্ষ তীরে আসতে পারেনি।

হাতিয়ার জাহাজমরা মাছধরা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি মো. রাশেদ খান টাইমনিউজকে জানান, রোববার বিকেলে চট্টগ্রাম থেকে আসা কালাম বাহিনীর জলদস্যুরা দমার চরের আনুমানিক ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ পূর্বদিকে সাঙ্গু গ্যাসফিল্ড এলাকায় জেলেদের বেশ কয়েকটি নৌকায় হামলা চালায়।

এ সময় দস্যুরা জাহাজমারা ইউনিয়নের আবদুর রাজ্জাকের মালিকানাধীন এফবি নুরজাহান ও মো. মিলন মাঝির মালিকানাধীন এফবি ফারুক নামে ইঞ্জিন চালিত দুটি নৌকার ছয়জন সারেং, মেস্ত্রী ও বাবুর্চিকে ধরে নিয়ে যায়।

একই সময় জলদস্যুরা আরো ১৪টি নৌকার সারেংকে অপহরণ করে নিয়ে যায় বলে জানান তিনি।

নৌকার মালিক ও স্বজনদের অপহৃতদের জনপ্রতি এক লাখ টাকা হারে জলদস্যুরা মুক্তিপন দাবি করে বলে জানান ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি।

কোষ্টগার্ডের হাতিয়া কনটিনজেন্ট কমান্ডার আমজাদ হোসেন জানান, জেলেদেরকে অপহরণ ও বিকাশ নম্বরে মুক্তিপন দাবির বিষয়টি জানার পর জলদস্যু বাহিনীর অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার চেস্টা চালিয়ে যাচ্ছে কোষ্টগার্ড।

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল হুদা জানান, হাতিয়ার বাইরে বঙ্গোপসাগরের গ্যাসফিল্ড এলাকায় জেলে অপহরণের ২ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে মুক্ত হওয়ার খবর পাওয়ার পর থেকে এ ব্যাপারে খোঁজখবর রাখছে পুলিশ।

এআই/