ফেনীর ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ সভাপতি একরামুল হক একরাম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এক যুবলীগ কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতের নাম মো. মাসুদ। তার বয়স আনুমানিক ২৫ বছর।
সোমবার বিকেলে শহরের শহীদ হোসেন উদ্দিন বিপণিবিতানের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ফেনী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাসুদকে গ্রেফতার করে। মাসুদ নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া গ্রামের আবু আহম্মদের ছেলে। তিনি ফেনী পৌর যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক জিয়াউল আলম মিস্টারের সহযোগী। গ্রেফতারকৃতদের দেওয়া তথ্যমতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহবুব মোর্শেদ তাকে গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের অনেকের নাম পুলিশের হাতে রয়েছে। তাদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
২০ মে ফেনী শহরের প্রকাশ্য দিবালোকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যার পুড়িয়ে একরামকে বহনকারী গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ফুলগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক জাহিদ চৌধুরী, ফেনী পৌর কাউন্সিলর আবদুল্লাহিল মাহমুদ শিবলু, ফেনী সদর আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীর মামাতো ভাই আবিদ, বিএনপি নেতা ও বিগত উপজেলা নির্বাচনের একরামের প্রতিদ্বন্দ্বি মাহতাব উদ্দিন আহমদ চৌধুরী মিনারসহ ২৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
এদের মধ্যে ১৭ জন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দ্বি দিয়েছে। জবানবন্দ্বিতে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক জাহাঙ্গীর আদেল ও পৌর যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক জিয়াউল আলম মিস্টারের নাম উঠে আসে।
ঢাকা, ৭ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) //জেডআই