গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলায় ৩৫ ইঞ্চি উচ্চতার এক নারীকে নিয়ে হৈচৈ পড়ে গেছে। ৫১ বছর বয়সি এই নারী পলাশবাড়ীর একটি মার্কেটে আসলে তাকে এক নজর দেখতে উৎসুক জনতার ভীড় জমে যায়।

শরীরে সাজুগুজু করে এই নারী নিজের পোশাক তৈরীর জন্য এসেছিলেন পিয়ারী মার্কেটে জমজম টেইলারিং হাউসে। সাথে এসেছিলেন তার বৃদ্ধ ’মা’ও। 

নাম তার সৈয়দা বিথি খাতুন বয়স ৫১ বছর, জন্মেছিলেন সাদুল্যাপুর উপজেলার ১১ নং খোদ্দকমরপুর ইউনিয়নের তরফজাহান গ্রামের মিলিকপাড়ায়। তার বাবার নাম মৃত সৈয়দ জয়নাল আবেদীন ও মাতা সৈয়দা জেবা আকতার।  

 

রোববার দুপুরে মার্কেটে কথা হয় সৈয়দা বিথি খাতুন এর মা সৈয়দা জেবা খাতুনের সঙ্গে।

তিনি জানান তার কন্যা শুধু মাত্র প্রতিবন্দি ভাতা পান যা দিয়ে আমার কন্যার জীবন যাপনে হিমশিম খেতে হয়। আমি যতদিন বেচে আছি ততদিন চিন্তা করি না। কিন্তু আমার স্বামীর মতো আমি যেদিন চলে যাবো না ফেরার দেশে সেদিন আমার কন্যা কে কে দেখবে, ওর কপালে কি ঘটবে ভেবে আমি আরো অসুস্থ হয়ে যাই। আমি ওর জন্য আপনাদের কাছে দোয়া ও সহযোগীতা কামনা করছি।

সৈয়দা বিথি খাতুন ১১ নং খোদ্দকোমরপুর ইউনিয়নের তালিকা ভুক্ত শাররিক ও বুদ্ধি প্রতিবন্দি হিসাবে প্রতিবন্দি ভাতাভোগী।

সৈয়দা বিথি খাতুনএর স্বাভাবিক জীবনযাপনের লক্ষ্যে তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী সহ দেশে ও জেলার বৃত্তশালী ব্যক্তিদের সহযোগীতা কামনা করেন।

রুবেল/জারিফ