চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পক্ষের নেতা-কর্মীরা শিবির সন্দেহে এক ছাত্রকে মারধর করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
আজ রোববার বেলা আড়াইটার দিকে বিশ্বিবিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস অ্যান্ড ফিশারিজ বিভাগের পশ্চিম পাশের রাস্তায় এ ঘটনা ঘটে। আহত ছাত্রকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মারধরের শিকার শিক্ষার্থী হলেন জাকির হোসেন। তিনি ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস অ্যান্ড ফিশারিজ বিভাগের স্নাতকোত্তর পর্বের শিক্ষার্থী। আজ তাঁর পরীক্ষা ছিল।
তবে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবিরের সভাপতি মাহমুদুল হাসান সানি মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘জাকির হোসেন নামের মেরিন সায়েন্স বিভাগের কোনো শিক্ষার্থী আমাদের সংগঠনের সঙ্গে জড়িত নন।’
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, আজ বেলা দুইটার দিকে জাকির পরীক্ষা শেষে তাঁর বিভাগ থেকে বের হন। এ সময় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বীর পক্ষের নেতা-কর্মীরা তাঁর ওপর হামলা চালান। তাঁরা জাকিরকে রড, কাঠসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারধর করতে থাকেন। ঘণ্টা খানেক মারধর করে তাঁরা অচেতন অবস্থায় তাঁকে ফেলে রেখে চলে যান। এতে তাঁর মাথা ফেটে যায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়। পরে বিকেলে পৌনে চারটার দিকে তাঁকে পুলিশ উদ্ধার করে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যায়।
জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বী সুজন বলেন, জাকির মেরিন সায়েন্স বিভাগের শিবিরের সাবেক নেতা। তাঁর বিরুদ্ধে হাটহাজারী থানায় মামলা আছে। তিনি ক্যাম্পাসে এসে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও মৌলবাদী চক্রকে ক্যাম্পাসে প্রতিষ্ঠা করার চক্রান্ত করছেন।
তাই ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা তাঁকে ধরে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছেন। জাকিরকে ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস অ্যান্ড ফিশারিজ বিভাগের পশ্চিম পাশের রাস্তা থেকে উদ্ধারের সময় হাটহাজারী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. খায়রুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন। তিনি বিকেলে বলেন, ‘এক ছাত্রকে মারধর করে ফেলে রাখা হয়েছে এমন খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। তাঁকে আমরা বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যাই। সেখান থেকে তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেলে পাঠানো হয়।’





