প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী লি নাক-ইয়ন’র আনুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকের পর দু’দেশের মধ্যে ৩টি চুক্তি সই হয়।
আজ (১৪ জুলাই) বিকাল সোয়া ৪টা থেকে দুই প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীণ বাংলাদেশ ও কোরীয় প্রতিনিধি দলের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি নিয়ে আনুষ্ঠানিক ওই বৈঠক হয়।
তেজগাঁওস্থ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং চুক্তি সই হয়েছে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস। তাদের রিপোর্ট মতে, দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ঢাকা-সিউল বিদ্যমান সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই নতুন ৩ চুক্তি সই হয়।
দু’দেশের মধ্যে চুক্তিগুলো হচ্ছে-
এক. কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ন্যাশনাল ডিপ্লোমেটিক একাডেমি এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ফরেন সার্ভিস একাডেমির মধ্যে সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা।
দুই. বাংলাদেশে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ বৃদ্ধির লক্ষে কোরীয় ট্রেড ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন এজেন্সি এবং বালাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটির মধ্যে সমঝোতা।
তৃতীয়. বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে ২০১৯-২৩ সাল পর্যন্ত সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচি সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক।
দক্ষিণ কোরিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী লী তায়েহো এবং বাংলাদেশের ফরেন সার্ভিস একাডেমির প্রিন্সিপাল সৈয়দ মাসুদ মাহমুদ খন্দোকার কূটনীতি বিষয়ক সমঝোতায় সই নিজ নিজ দেশের পক্ষেই সই করেন। বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত সমঝোতায় সই করেন এই সংক্রান্ত কোরীয় এজেন্সির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়ং ওহ এবং বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট অথরিটির নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী এম আমিনুল হক।
আর সংস্কৃতি বিনিময় সংক্রান্ত সমঝোতায় নিজ নিজ দেশের পক্ষে সই করেন কোরীয় উপ-পররষ্ট্রমন্ত্রী লী তায়েহো এবং বাংলাদেশের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. আবু হেনা মোস্তাফা কামাল।
দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার ৩ দেশ সফরের অংশ হিসাবে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী লি নাক-ইয়ন তিন দিনের সরকারি সফরে শনিবার (১৩ জুলাই) বিকালে বাংলাদেশে আসেন। ঢাকায় তাকে লাল গালিচায় বরণ করা হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবুল মোমেন বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান। সেখানে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর একটি চৌকস দল কোরীয় প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অর্নার প্রদান করে।
এমবি





