ব্রহ্মপুত্র, ধরলা ও তিস্তার পানি সামান্য হ্রাস পেলেও কুড়িগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। অন্যদিকে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে জিঞ্জিরাম নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে রৌমারী ও রাজীবপুর উপজেলার আরও ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
এ ছাড়াও বন্যায় চিলমারী, উলিপুর ও সদর উপজেলার চর ও নিম্নাঞ্চলের দেড় শতাধিক গ্রামের ঘরবাড়ি বন্যার পানিতে তলিয়ে আছে। এসব এলাকার প্রায় ৫০ হাজার মানুষ এখনও পানিবন্দি জীবন-যাপন করছেন। রৌমারী উপজেলায় বন্যার পানিতে চারটি বিজিবি ক্যাম্প ও ২৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তলিয়ে আছে।
কৃষি বিভাগ জানায়, বন্যায় ১৫ হাজার হেক্টর জমির রোপা আপন চারদিন ধরে তলিয়ে থাকায় নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। গ্রামাঞ্চলের কাঁচা সড়ক ধসে ও তলিয়ে থাকায় এসব এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে।
স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-প্রকৌশলী সবিবুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে চার সেন্টিমিটার ও নুনখাওয়া পয়েন্টে ছয় সেন্টিমিটার হ্রাস পেয়েছে। অন্যদিকে সেতু পয়েন্টে ২২ সেন্টিমিটার হ্রাস পেয়েছে ধরলা নদীর পানি। অপরিবর্তিত রয়েছে তিস্তা নদীর পানি।
ঢাকা, ২৫ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই





