পাঠ্যপুস্তকে 'সাম্প্রদায়িক ও ধর্মীয় বৈষম্যমূলক' বিষয় অন্তর্ভুক্তি এবং প্রগতিশীল লেখকদের লেখা বাদ দেয়াসহ অন্যান্য 'অসংগতি'র প্রতিবাদে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেছে প্রগতিশীল সংগঠনগুলো।

এ সময় দুই দফায় পুলিশি বাধার মুখে পড়ে আন্দোলনকারীরা। ব্যারিকেড ভেঙে এগোতে চাইলে পুলিশের সঙ্গে তাদের ধস্তাধস্তি হয়।

মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি থেকে প্রগতিশীল সংগঠনগুলোর ব্যানারে একটি মিছিল নিয়ে সচিবালয়ের অভিমুখে রওনা দেয় নেতাকর্মীরা।

মিছিলটি হাইকোর্ট মাজারের সামনে পৌঁছালে প্রথম দফায় পুলিশি বাধার মুখে পড়ে। সেই বাধা ভেঙে তারা প্রেসক্লাব হয়ে সচিবালয়ের ৫ নম্বর গেটে আবার বাধার মুখে পড়ে। এখানে তারা কিছু সময় অবস্থান নেয়। পরে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে গিয়ে স্মারকলিপি দেয়। শিক্ষামন্ত্রীর পক্ষে তার পিএস ও এপিএস স্মারকলিপি গ্রহণ করেন।

প্রগতিশীল সংগঠনগুরো পক্ষে ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতি লাকী আক্তারের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসরের সাধারণ সম্পাদক মোখলেছুর রহমান সাগর, উদীচীর সাধারণ সম্পাদক জামশেদ আনোয়ার তপন, যুব ইউনিয়নের ঢাকা মহানগরের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন ও গণজাগরণ মঞ্চ সংগঠক জীবনানন্দ জয়ন্ত স্মারকলিপি জমা দিতে যান।

স্মারকলিপিতে- সাম্প্রদায়িক, বৈষম্যমূলক ও ভুলে ভরা পাঠ্যপুস্তক প্রত্যাহার, মৌলবাদী অপশক্তি তোষণ বন্ধ, ধর্মীয় উসকানিমূলক বক্তব্য প্রত্যাহারসহ ৮ দফা দাবি তুলে ধরা হয়।

মাহমুদ