পবিত্র মাহে রমজান মাসেও দিনাজপুরের বিভিন্ন পার্কে ও দর্শনীয় স্থানগুলোতে প্রকাশ্যে চলছে অসামাজিক কার্যকলাপ, প্রায় সময়ই চোখে পড়ছে আপত্তিকর দৃশ্য।

কিন্তু এ বিষয়ে কারো কোন মাথা ব্যাথা নেই। কারন এর ধারক ও বাহকগণ তথা কর্তৃপক্ষগণ এ ব্যাপারে ব্যাপক উদাসীন বলে জানা যায়।

জেলা শহরের আশপাশ এলাকায় গড়ে উঠেছে বেশ কয়েকটি দর্শনীয় স্থান, এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে দিনাজপুর শিশু পার্ক, সিটি পার্ক, চেহেলগাজি মাঠ ও দিনাজপুর বড়মাঠের উত্তর প্রাঙ্গণ।

মনকে একটু আনন্দ দেয়ার জন্যে ও একটু সময় কাটাতে এবং বিকেল বেলা পায়চারী করতে বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ শহরের দুর দুরান্ত থেকে ছুটে চলে আসেন এসব এলাকাগুলোতে। কিন্তু এসব স্থানে প্রায় সময় দেখা যায় অসামাজিক কার্যকলাপ। চোখে পরে কি সব আপত্তিকর দৃশ্য। যা থেমে নেই পবিত্র মাহে রমজান মাসেও।

শনিবার বিকেলবেলা বড়মাঠ এলাকায় পায়চারি করতে আসা আমিনুল ইসলাম নামের এক পেশাজীবী জানান, প্রায় সময় আমি এখানে হাটাহাটি করতে আসি, কিন্তু এলাকার যে পরিবেশ ছেলে মেয়েদের এসব নির্লজ্জ আচরণ দেখে আমি নিজেই লজ্জিত হয়ে যাই।

আগে স্বপরিবারে এখানে হাটতে আসতাম, এখন লজ্জায় আর পরিবার পরিজন নিয়ে এখানে আসতে পারিনা।

পার্কে ঘুরতে আসা আরেক পরিবারকে প্রশ্ন করলে তারা জানান, এখানে বেড়াতে আসলে বিভিন্ন ছেলেমেয়েদের অসামাজিক কাজ দেখে লজ্জায় আমাদের মাথা খারাপ হয়ে যায়।

পার্কের ভিতরে ক্যামেরা নিয়ে প্রবেশ করলে অনেক ছেলে মেয়ে স্থান ত্যাগ করে। কিছু যুবক- যুবতিদের প্রশ্ন করলে তারা জানান, আমরা এখানে আনন্দ উপভোগ করতে এসেছি।

তাছাড়া এসব এলাকার আশেপাশে রিক্সায় ঘুরতে দেখা যায় কিছু যুবক- যুবতিদেরকে, যারা রিক্সার মধ্যে বসেই অসামাজিক কাজ করে। রিক্সাওয়ালাদের প্রশ্ন করলে তারা জানান, আমাদের ডাবল ভাড়া দেয় আর তারা রিক্সায় বসে ফুর্তি করে চলে যায়।

এসব এলাকার আশেপাশে থাকা স্থানীয়রা জানান, এ ধরনের অসামাজিক কাজ এখানে প্রায় হয়ে থাকে, কিন্তু আমাদের কিছু করার থাকেনা।

এসব অশ্লিলতা ও নির্লজ্জ অসামাজিক কাজ প্রতিরোধে পার্ক কর্তৃপক্ষ এ স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি উদার্থ আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

এসএইচ