চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে মুজিবুল হক সভাপতি ও মুহাম্মদ এনামুল হক সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

আওয়ামী লীগ সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় প্যানেল ১৯টি পদের মধ্যে সভাপতিসহ ১০টি পদে বিজয়ী হয়েছে আর বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদ সাধারণ সম্পাদকসহ ৯টি পদে জয়লাভ করে।

বামধারা সমর্থিত সমমনা আইনজীবী প্যানেলের প্রার্থীরা একটি পদেও বিজয়ী হতে পারেনি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ্যাডভোকেট সৈয়দ সিরাজুল আলম মঙ্গলবার গভীর রাতে নির্বাচনের ফল ঘোষণা করেন।

সভাপতি পদে সমন্বয় পরিষদের মুজিবুল হক (১০৪১ ভোট) বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন (১০১৯) ঐক্য পরিষদের কফিল উদ্দিন চৌধুরী। সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন (১২২২) ঐক্য পরিষদের মুহাম্মদ এনামুল হক। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন (৯০৬) সমন্বয় পরিষদের মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী।

সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সহ-সভাপতি পদ দুটিতেই নির্বাচিত হয়েছেন ঐক্য প্যানেল থেকে মো. আবুল কালাম আজাদ ও মো. আফাজুর রহমান। তবে সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী হয়েছেন সমন্বয় প্যানেলের প্রতীক কুমার দেব। এ ছাড়া অর্থ সম্পাদক পদে সমন্বয় প্যানেলের পাপড়ী সুলতানা, পাঠাগার সম্পাদক পদে ঐক্য প্যানেলের শওকত আউয়াল চৌধুরী, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে ঐক্য প্যানেলের হাসান মাহমুদ চৌধুরী এবং তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন সমন্বয় প্যানেলের এমএম সিরাজউদ্দৌল্লাহ। ১০টি সদস্য পদের মধ্যে ৬টিতে নির্বাচিত হয়েছেন সমন্বয় প্যানেলের প্রার্থীরা। বাকি চারটি সদস্য পদে বিজয়ী হয়েছেন ঐক্য প্যানেলের প্রার্থীরা।

মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ চলে। নির্বাচনে ১৯টি পদের বিপরীতে ৩ প্যানেলের ৫০ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ৩ হাজার ৪৯৮ ভোটারের মধ্যে ২ হাজার ৮৫৬ জন ভোট প্রদান করেছেন।

নির্বাচন অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচনী কর্মকর্তা সৈয়দ সিরাজুল আলম।

আইনজীবী ঐক্য পরিষদ সভাপতি পদে পুনরায় ভোট গণনার আবেদন জানালেও নির্বাচন কমিশন আবেদন নাকচ করে দিয়েছে। বিশেষ করে ২২ ভোটের ব্যবধান থাকায় এবং ভোট গণনাকালে সব প্যানেলের প্রতিনিধি উপস্থিত থেকে তদারকি করায় এ আবেদন নাকচ করা হয়। একই কথা বলেছেন নির্বাচনী কর্মকর্তা মো. ফখরুদ্দিন চৌধুরী ও পরিমল চন্দ্র বসাক।

কেএইচ