আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উযযাপন উপলক্ষে শহীদ মিনার এলাকায় সবধরণের নাশকতা রুখে দেওয়া হবে। জনসাধারণ যাতে নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে জাতীয় দিবস উদ্যাপন করতে পারে সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর করণীয় সম্পর্কে এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া এ কথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, মাতৃভাষা দিবস আমাদের অহংকার। এটি আমাদের প্রেরণার উৎস। তাই এ জাতীয় দিবস রাস্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, ভিভিআইপি ও জনসাধারণ যাতে নির্বিঘ্নে পালন করে নিরাপদে স্থান ত্যাগ করতে পারে সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।

পোশাকের পাশাপাশি সাদা পোশাকেও গোয়েন্দারা নজরদারি করবেন। এছাড়া রাস্ট্রের অন্যান্য বাহিনীর সদস্য ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও নিরাপত্তা বিধানে সার্বক্ষনিক কাজ করবেন।

তিনি বলেন, মহামান্য রাস্ট্রপতি ২০ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা এক মিনিটে ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ওই দিন রাত ১২টা দুই মিনিটে এবং ভারতের পশ্চিম বঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় একই রাত ১২টা ৭মিনিটে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুস্পার্ঘ অর্প্ন করবেন। এরপরই বিরোধী দলসমূহ ও জনসাধারণ শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারবেন।

এ উপলক্ষে শহীদ মিনার এলাকা ঘিরে ট্রাফিক বিভাগ একটি রুট ম্যাপও প্রকাশ করেছেন।

এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, প্রটোকলের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষ হওয়ার পর যে কেউ শহীদ মিনারে আসলে তাদের সহযোগিতা করা হবে। এক্ষেত্রে খালেদা জিয়াও যদি আসে তাকেও সহযোগিতা করা হবে। তবে এখন পর্যন্ত তিনি আসবেন কিনা এ ব্যাপারে কেউ যোগাযোগ করেনি।

এআই/ইআর