সীমান্ত প্রাচীর দু দেশকে ভাগ করলেও দেশ বিভাগের পর এই সর্ব প্রথম বাংলাদেশ ও ভারত একই মঞ্চে আন্তর্জাতিক মাতৃৃভাষা দিবসের অনুষ্টান পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বেনাপোল পেট্টাপোল চেকপোষ্ট (নোম্যান্সল্যান্ডে)নির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ২১মঞ্চে যৌথভাবে পালিত হবে দিবসটি। নির্মিত হয়েছে বিশাল মঞ্চ ও দর্শক গ্যালারি। দর্শকদের কথা চিন্তা করে রাখা হচ্ছে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। নোম্যান্সল্যান্ড এলাকায় মিলে মিশে একাকার হয়ে যাবে দু'পারের বাংলা ভাষা-ভাষি মানুষ। দু দেশের কবি সাহিত্যিক ও শিল্পিরা গাইবেন বাংলার গান।

বেনাপোল পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটন ও বনগাঁ পৌরসভা চেয়ারম্যান শ্রী শংকর আঢ্য অনুষ্টানের সভাপতিত্ব করবেন। অনষ্টানে উপস্তিত থাকবেন-কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সভাপতি মন্ডলির সদস্য-পীযূষ কান্তি ভট্টাচার্য্য, এমপি শেখ আফিল উদ্দিন, যশোর জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সহিদুল ইসলাম মিলন, সম্পাদক শাহিন চাকলাদার, যুগ্ন সম্পাদক-আব্দুল মজিদ, কাষ্টম কমিশনার শওকত হোসেন, জেলা প্রশাসক ড, হুমায়ন কবির, বিজিবি অধিনায়ক লে.কর্নেল জাহাঙ্গীর হোসেন, পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান, কবি ও সাহিত্যিক আসাদ চৌধুরী, স্বাধীন বাংলার বেতার শিল্পি রবীন্দ্রনাথ রায়, খুরশীদ আলম, নাট্যকর জয়ন্ত্র চট্টপাধ্যায় সহ গুনি শিল্পিরা।

ওপার বাংলার-পশ্চিমবঙ্গ ভারতের খাদ্য ও সরবরাহ মন্ত্রী শ্রী জোপ্রিয় মল্লিক, তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী ব্রাত্য বসু, সংসদ শ্রীমত্যা মমতা ঠাকুর, বিধায়ক বিশ্বজিদ রায়, সুরজিত কুমার বিশ্বাস-কবি ও সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, বিশ্বখ্যাত লোকসঙ্গীত শিল্পি-অর্পিতা চক্রবর্তী অর্পন পশ্চিমবঙ্গ ভারত।

২১উদযাপন উপলক্ষে বেনাপোল পৌরসভার প্যানেল মেয়র শাহবুদ্দিন মন্টুকে আহবায়ক করে একটি উপ কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানান-মেয়র আশরাফুল আলম লিটন। সীমান্তে অনুষ্টিত আন্তর্জাতিক মার্তৃভাষা দিবসের অনুষ্টানে সব ধর্ম বর্ন নির্বিশেষে সকল বয়সের নারী পুরুষ ও শিশুসহ ভাষাপ্রেমী মানুষের উপস্তিতি কামনা করেন মেয়র লিটন। ১৫দিন ধরে নির্মিত হচ্ছে সীমান্তের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ২১মঞ্চ। প্রতিনীয়ত তদারকি করছেন দুদেশের জনপ্রতিনিধিরা।

নাসির/জারিফ