ঝিনাইদহ শহরের আপরাপপুর মণ্ডলপাড়ায় হাতুড়ে চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসায় আরিফ হোসেন (২৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
মৃত আরিফ হোসেন আপরাপপুর এলাকার হানেফ আলীর ছেলে ও গড়াই পরিবহনের কর্মী। এ ঘটনায় হাতুড়ে চিকিৎসক গৌরপদ দত্তকে পুলিশ শহরের কৃষ্ণপাড়া এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার রাতেই গ্রেফতার করেছে।
মৃত আরিফের বাবা হানেফ আলী জানান, তার ছেলে পাইলস চিকিৎসার জন্য সোমবার সকালে হাতুড়ে চিকিৎসক শহরের কৃষ্ণপাড়ার গৌরপদ দত্তর কাছে যান। গৌরপদ পাইলস চিকিৎসার জন্য তাকে উচ্চ মাত্রার ব্যথানাশক ওষুধ দেন। ওষুধ সেবন করে আরিফের ব্যথা আরও বেড়ে গেলে তিনি আরো উচ্চমাত্রার ওষুধ দেন।
ওষুধ সেবনের পর আরিফের শারীরিক অবস্থার আরো অবনতি হওয়ায় দ্রুত তাকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানকার চিকিৎসক আরিফকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরীক্ষা নিরিক্ষার পর চিকিৎসক জানান, আরিফের দুইটি কিডনি বিকল হয়ে গেছে। ফলে আরিফকে মুমূর্ষু অবস্থায় বাড়ি ফিরিয়ে আনা হয়। এরপর শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে আরিফের মৃত্যু হয়।
এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ সদর থানার দায়িত্বরত কর্মকর্তা সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) ফরহাদ জানান, এ ব্যাপারে আরিফের বাবা বাদী হয়ে শুক্রবার সকালে ঝিনাইদহ সদর থানায় ৩০৪/ক ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ মৌখিক অভিযোগ পেয়ে বৃহস্পতিবার রাতেই হাতুড়ে চিকিৎসক গৌরপদ দত্তকে ঝিনাইদহ শহরের কৃষ্ণপাড়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করে।
চিকিৎসা দেয়ার জন্য তার নুন্যতম কোনো ডিগ্রি নেই বলে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন গৌরপদ দত্ত।
কেএইচ





