বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের আন্দোলন ঠেকাতে আওয়ামী লীগ সমর্থক মুক্তিযোদ্ধা ও কিছু পেশাজীবী এবার ‘মুক্তিযোদ্ধা পেশাজীবী জনতা ঐক্যমঞ্চ’,নামে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ডের অধীনে প্রায় ৯২ টি সংগঠনের সমন্বয়ে জোট গঠন করেছে।

রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবের হল রুমে ‘মুক্তিযোদ্ধা পেশাজীবী জনতা ঐক্যমঞ্চ’ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলন থেকে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল(অবঃ) হেলাল মোর্শেদ খান বীরবিক্রমকে আহ্বায়ক করে কেন্দ্রীয় কমিটি এবং পরবর্তীতে ঢাকাসহ সারাদেশে ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা কমিটি গঠন করার নির্দেশনা প্রদান করে।

এ সময় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল(অবঃ) হেলাল মোর্শেদ খান বীরবিক্রম। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ২০ দলীয় জোট ৭১ এর মত বাংলাদেশের জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমেছে। এ অবস্থায় মুক্তিযোদ্ধারা বিষয়টি শুধু সরকারের উপর ছেড়ে দিয়ে বসে থাকতে পারি না।

তিনি বলেন, ৭১ এর মত দেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সন্ত্রাসের নিয়ামক খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুর্বার প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে কমিটির ধরন সম্পর্কে বলেন, ইউনিয়ন কমিটি ৫১ সদস্য বিশিষ্ঠ, উপজেলা কমিটি ৭৫ সদস্য বিশিষ্ঠ এবং জেলা কমিটি ১০১ সদস্য বিশিষ্ঠ হবে।

এই সংবাদ সম্মেলনে তাদের উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন ও সফল করার উদ্যোগে চলমান প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে একটি কর্মসূচিও ঘোষণা করে।

মুক্তিযোদ্ধা সংসদের চেয়্যারম্যান হেলাল মোরশেদ খানের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী ইয়াফেজ উসমান,আইডিবি সভাপতি আব্দুল হামিদ,মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান ইসমত কাদির গামা, অর্থনীতিবিদ কাজী খালেকুজ্জামান ও বিভিন্ন পেশাজীবী ব্যক্তিবর্গ।

এমএ/ইআর