আসন্ন জাতীয় একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁওয়ের ৩টি আসনে সবচেয়ে বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে। তারমধ্যে ঠাকুরগাঁও-২ (বালিয়াডাঙ্গী,হরিপুর, রাণীশংকৈল আংশিক) আসন অন্যতম । এই আসনে বিভিন্ন দলের ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

ঠাকুরগাঁও-২ আসনে প্রতীকপ্রাপ্ত প্রার্থীরা হলেন- মাওলানা আব্দুল হাকিম বিএনপি (ধানের শীষ), আলহাজ্ব দবিরুল ইসলাম আওয়ামীলীগ (নৌকা), শাহিনুর ইসলাম (দিনাজপুর), রেজাউল করিম (হাতপাখা), সামসুজ্জোহা জাকের পার্টি (গোলাপফুল)।

এদের মধ্যে বিভিন্ন অবস্থানগত ও রাজনৈতিক কারণে দুই প্রার্থী ভোটে প্রভাব ফেলবেন। তারা হলেন, বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মাওলানা আব্দুল হাকিম বিএনপি (ধানের শীষ), আলহাজ্ব দবিরুল ইসলাম আওয়ামীলীগ (নৌকা)।

এই আসনটিতে মাওলানা আব্দুল হাকিম বিএনপি (ধানের শীষ) সততা ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতির কারণে এলাকায় মুসলিম, হিন্দুসহ সকল ধর্মের জনগনের কাছে তিনি বেশ জনপ্রিয়।

অন্যদিকে ছয়বারের নির্বাচিত এমপি আলহাজ্ব দবিরুল ইসলাম আওয়ামীলীগ (নৌকা) তিনিও তেমন জনপ্রিয় না থাকলেও তার নিজের এলাকায় কিছুটা প্রভাব রয়েছে।

বিএনপি ও জামায়াত নেতা কর্মীরা জানান, প্রতিদিন প্রায় আমাদের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার অভিযান চালাচ্ছেন, এ পর্যন্ত প্রায় শতাধিক নেতা কর্মীকে গ্রেফতারসহ প্রচারনার মাইক ভাংচুর, এলাকায় পোষ্টার না চিড়ে ফেললেও কাহারোল উপজেলায় বেশ কিছু এলাকায় বিরোধী পক্ষের নেতাকর্মীরদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে জানান।

তারা বলেন, এ ব্যাপারে আমরা ডিসি মহোদয়কে সকল অভিযোগ জানিয়েছি তিনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন। তারা আরো বলেন, আমাদের এসকল জুলুম অত্যাচারের জবাব জনগন ৩০ ডিসেম্বর ভোটের মাধ্যমে দিবে ইনশাআল্লাহ।

এছাড়াও বিভিন্ন ইসলামী সমমনা দলের প্রার্থীসহ ২ জন ঠাকুরগাঁও-২ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। ফলে এখানে তুমুল ভোট যুদ্ধ দেখছেন বিশ্লেষকরা। সব জটিল সমীকরণ পাশ কাটিয়ে আগামী ৩০ ডিসেম্বর জনগণের ব্যালটই বলে দেবে কে হবে এই আসনের অভিভাবক।

এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৩৬৪ জন। পুরুষ ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ১৪ হাজার ৪৩৫ জন। নারী ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৯৩ হাজার ৯২৯ জন।

মুহিব