মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলার নাটেশ্বর গ্রামে খনন করে সম্প্রতি আবিষ্কার করা বৌদ্ধনগরী পরিদর্শন করলেন চীন, দক্ষিণ কোরিয়া ও ভারতের বৌদ্ধ নেতারা। ৩০ সদস্য বিশিষ্ট বিদেশি প্রতিনিধি দলের সদস্যরা বৌদ্ধ নগরী ছাড়াও সদর উপজেলার বজ্রযোগনীতে অতীশ দীপঙ্করের জন্মভিটা পরিদর্শন করেন।
মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত বিদেশিরা পুরাকীর্তি পরিদর্শন করেন। তারা দেড় হাজর বছর আগের বৌদ্ধনগরী দেখে বিস্মিত হন। এ সময় প্রতিনিধি দলে থাকা চীনের তিব্বতের বৌদ্ধ অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মিস্টার দ্রুবকাং বিক্রমপুর প্রত্নতত্ত্ব গবেষণা প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট এবং বর্তমান সরকারের সার্বিক সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
বিক্রমপুর অঞ্চলে প্রত্নতাত্ত্বিক খনন ও গবেষণা প্রকল্পের গবেষণা পরিচালক অধ্যাপক ড. সুফী মোস্তাফিজুর রহমান জানান, নাটেশ্বর গ্রামে দেড় হাজার বছরের প্রাচীন বৌদ্ধ নগরী আবিষ্কারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হয় গত ১৬ ফেব্রুয়ারি। এ খবর পেয়ে আবিষ্কৃত নগরী দেখতে আসেন তিব্বতের বৌদ্ধ অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান দ্রুবকাং এর নেতৃত্বে চীন ও কোরিয়ার ৩০ সদস্য বিশিষ্ট বৌদ্ধ নেতরা। তারা বৌদ্ধ নগরীটি সরেজমিন পরিদর্শন করেন।
এ সময় দক্ষিণ কোরিয়ার স্বর্গীয় সংস্কৃতি বিশ্বশান্তি সংগঠনের কর্মকর্তা মিজ জেমি লিসহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
ড. সুফী মোস্তাফিজুর রহমান আরো জানান, নাটেশ্বর গ্রামে বৌদ্ধ নগরী পরিদর্শনের পর সদর উপজেলার বজ্রয়োগনী গ্রামে অতীশ দীপঙ্করের জন্মভিটা পরিদর্শন করেছেন বিদেশি অতিথিরা।
বিক্রমপুর অঞ্চলে প্রত্নতাত্ত্বিক খনন ও গবেষণা প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. নূহ উল আলম লেনিন বলেন, আবিষ্কৃত বৌদ্ধ নগরী সম্পর্কে প্রতিনিধি দলকে বিস্তারিত অবগত করা হয়েছে। বৌদ্ধ নগরী আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে চীন ও বাংলাদেশ সরকারের সর্ম্পক আরও বাড়বে।
ড. নূহ উল আলম লেনিন আরো বলেন, অতীশ দীপঙ্করের জন্মভিটা বিক্রমপুরে আরো ব্যাপকভাবে কাজ করার আশ্বাস দিয়েছেন চীনের চাইনিজ পিপলস পলিটিক্যাল কনসালটেটিভ কনফারেন্সের স্থায়ী কমিটির সদস্য দ্রুবকাং।
জেআই





