নোয়াখালীর সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নে মোস্তফা মিয়া (৫০) নামের এক ব্যক্তির হাতে ১০ বছরের এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে।
এ ঘটনার পরে থেকে অভিযুক্ত মোস্তফা পলাতক রয়েছে। সে একই উপজেলার রতনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী।
সোমবার দুপুরের দিকে গৌরিপুর গ্রামের আলী আকবর মাস্টার বাড়ীতে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত মোস্তফা মিয়া ওই বাড়ীর বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালের দিকে শিশুটি একই বাড়ীর (সম্পর্কে দাদা) মোস্তফার ঘরে বসে টিভি দেখছিলো। শিশুটিকে ঘর থেকে ডেকে বাগান নিয়ে শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।
এসময় শিশুটির আত্মচিৎকারে বাড়ীর লোকজন ছুঁটে আসলে মোস্তফা দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।
নোয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী জানান, ভিকটিমের যৌনাঙ্গের ভিতরে একটি পর্দা ছিড়েঁ প্রচুর পরিমানে রক্তক্ষরণ হয়েছে। ভিকটিমের অস্ত্রোপচার করা হয়েছে বর্তমানে সে আশঙ্কাজমুক্ত।
ইতোমধ্যে তাকে রক্ত দেয়া হয়েছে। ভিকটিমকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত ধর্ষক মোস্তফাকে আটকের চেষ্টা চলছে।
এমআইএস





