পবিত্র ঈদুল আযহা বা কোরবানির ঈদে পশুর চামড়া সঠিকভাবে সংগ্রহে ১১ দফা পরামর্শ দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
গতকাল (১০ আগস্ট) শনিবার তথ্য অধিদফতরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই কথা জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া ১১টি পরার্মশ হলো-
এক. কোরবানির আগে পশুকে ভালোভাবে গোসল করিয়ে শুকিয়ে নিতে হবে;
দুই. পশুকে প্রচুর পরিমাণে পানি খাওয়াতে হবে;
তিন. পরিষ্কার ও সমতল স্থানে জবাই করতে হবে, যাতে চামড়ায় ময়লা না লাগে;
চার. জবাই করার স্থানে পশুর রক্ত গড়িয়ে যাওয়ার জন্য গর্ত করতে হবে এবং পরে সেটি ভালোভাবে মাটি দিয়ে ঢেকে দিতে হবে;
পাঁচ. পশুকে পা বেঁধে সাবধানে শোয়াতে হবে;
ছয়. জবাইয়ের পর পশু নিস্তেজ হওয়ার পর চামড়া ছাড়ানো শুরু করতে হবে;
সাত. চোখা মাথার ধারালো ছুরি দিয়ে পশুর বুকের ওপর দিয়ে লেজের গোড়া পর্যন্ত লম্বালম্বিভাবে এবং এক পা থেকে অন্য পা পর্যন্ত চামড়া ফারতে হবে;
আট. বাঁকানো মাথার ধারালো ছুরি দিয়ে পশুর দেহ থেকে চামড়া ছাড়াতে হবে। চোখা মাথার ছুরি দিয়ে চামড়া ছাড়ানো যাবে না। এতে চামড়া ফুটো হয়ে যেতে পারে;
নয়. চামড়া ছাড়াতে তাড়াহুড়ো করা যাবে না। স্বাভাবিক গতিতে চামড়া ছাড়াতে হবে;
দশ. চামড়া টানাহেঁচড়া না করে বালতি বা পাত্রে নিতে হবে এবং রোদ কিংবা বৃষ্টি নেই-এমন শুকনো জায়গায় খোলা অবস্থায় রাখতে হবে। চামড়ায় রক্ত লাগলে তা দ্রুত ধুয়ে ফেলতে হবে;
এগারো. চামড়া বিক্রি করতে দেরি হলে যথাযথ প্রক্রিয়ায় লবণ দিয়ে রাখতে হবে।
গরুর চমড়া প্রতি বর্গফুট ৪৫-৫০, খাসি ১৮-২০ টাকা
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানি পশুর চমড়ার দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার।
ঢাকায় লবণযুক্ত গরুর চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুট ৪৫ থেকে ৫০ টাকা এবং ঢাকার বাহিরে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সারাদেশেখাসির চামড়া ১৮ থেকে ২০ টাকা, বকরির ১৩ থেকে ১৫ টাকা বর্গফুট নির্ধারণ করা হয়েছে।
এমবি





