শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ‘দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টিতে সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের ভূমিকা, সম্ভাবনা ও সমস্যা’ শীর্ষক এক সেমিনারে এ মন্তব্য করেন তিনি। বাংলাদেশ টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের শিক্ষক সমিতি এর আয়োজন করে।

রিজভী বলেন, ‘অনেকে অনেক কথা বলছেন—কি হলো চার-পাঁচ মাসে? কিন্তু এটা তো ঠিক, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় তো কেউ গুম হচ্ছে না, কেউ তো বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হচ্ছে না? রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় আমরা কাউকে গুম হতে দেখছি না, আমরা কোনো বিচারবহির্ভূত হত্যার কথা শুনি না, আমরা গুপ্তহত্যার কথা শুনি না, আমরা টাকা পাচারের কথা শুনি না, আমরা ব্যাংক লুট করার কথা শুনি না। অনেক শক্তিশালী দেশ মনে করে যে, তাদের কথা অনুযায়ী চলতে হবে। কিন্তু তাদের চোখে চোখ রেখে নিজের স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রকে ধরে রাখতে পেরেছেন প্রধানমন্ত্রী। এবং প্রত্যেকটি দেশের সাথে সমমর্যাদার ভিত্তিতে আমরা আমাদের পররাষ্ট্রনীতি পরিচালিত করব—সেই নীতি তিনি ঘোষণা করেছেন।’

বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, ‘হাইওয়েতে প্রচণ্ড দুর্ঘটনা ঘটে। সে দুর্ঘটনা এড়াতে ১০ কিলোমিটার পর পর অ্যাম্বুলেন্স থাকবে হাইওয়ের পাশে—এই পদক্ষেপ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।’

তিনি বলেন, ‘ঝরে পড়া ছেলেকেই আমাদের কারিগরি বিদ্যা শিক্ষা দিতে হবে, কারিগরি জ্ঞান তাকে দিতে হবে। তাহলে তার মানে বেড়ে ওঠার স্বপ্নটা আর আটকে যাবে না, ওটা আর থমকে থাকবে না।’

তিনি বলেন, ‘১৯৭৮ সাল থেকে যে নতুন চীন, কিভাবে আজকের এই পর্যায়গুলোতে... তাদের রাস্তাঘাট, তাদের বিল্ডিং, তাদের উন্নয়ন, তাদের সমস্ত ম্যানেজমেন্ট। আমরা যারা প্রায়ই চীনে যাই, আমরা দেখেছি কিভাবে ৭৮ সালেই... আমি সাধারণ বর্ণনা দিচ্ছি, বাংলাদেশের চাইতেও সেখানে গ্রামীণ বস্তি, শহরের বস্তি—এগুলোতে ভরা ছিল। আজকে উন্নত বিশ্বের যেকোনো শহরের চেয়ে চীনের শহরগুলো, প্রতিযোগিতায় যদি তুলনা করা হয়, তাহলে আমার মনে হয় কিছু কিছু ক্ষেত্রে চীনের শহরগুলো এগিয়ে থাকে। গ্রামের যদি তুলনা করা হয়, তাহলে সেখানেও দেখা যাবে যে কোথাও কোনো কোনো প্রদেশের বিভিন্ন অঞ্চল ও অংশ—মানে ফুলের মাঠ, কোথাও ধানের মাঠ, কোথাও এত চমৎকার আপেল হয়, আপেলের বাগান! এটা তারা করতে পেরেছে। তারা দেশ ওপেন করল এবং সবচেয়ে মজার ব্যাপার, আমি শুনেছি উচ্চশিক্ষা কিছুদিনের জন্য বন্ধই রেখেছিল সমস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোতে। সাধারণ এমনি শিক্ষা—কারিগরি বাধ্যতামূলকভাবে এই মাধ্যমিক এবং কলেজ পর্যায়ে এটা একেবারে বাধ্যতামূলকভাবে শিক্ষার ব্যবস্থা করেছিল। অল্প বেশি না, কয়েকটা... এবং এটাই হচ্ছে আজকের যুগান্তকারী, বৈপ্লবিক পরিবর্তন সেখানে ঘটেছে।’

এস