গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের ক্ষমতাসীন দলের সাবেক এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যা মামলার রায় আগামীকাল বৃহস্পতিবার।
গেল ১৮ ও ১৯ নভেম্বর দুইদিন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামি পক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শেষ হলে গাইবান্ধা জেলা ও দায়রা জজ দিলীপ কুমার ভৌমিক ২৭ নভেম্বর বৃহস্পতিবার রায়ের দিন ধার্য করেন।
রায়ে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের সর্বোচ্চ সাজা আশা করছেন এমপি লিটনের স্বজনরা।
মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনের স্ত্রী খুরশিদ জাহান স্মৃতি বলেন, লিটনকে হত্যায় অভিযুক্ত প্রধান আসামি কাদের খাঁনসহ অন্য আসামিদের ফাঁসির আদেশ চাই। আদালতের কাছে এ মামলায় ন্যায়বিচার আশা করছি।
জেলা ও দায়রা জজ দিলীপ কুমার ভৌমিকের আদালতে এই রায় ঘোষণা করা হতে পারে। রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামি পক্ষের আইনজীবীদের দীর্ঘ ১৮ মাস যুক্তিতর্কের পর এই রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করেন বিচারক।
এই হত্যাকাণ্ডের পর দুটি মামলা দায়ের হয়। একটি অস্ত্র মামলা ও অপরটি হত্যা মামলা।
অস্ত্র মামলায় একমাত্র আসামি একই আসনের জাতীয় পার্টির সাবেক সাংসদ কর্নেল (অব.) আবদুল কাদের খানকে গত ১১ জুন যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় সুন্দরগঞ্জের বামনডাঙ্গার মাস্টারপাড়ার নিজ বাড়িতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন মনজুরুল ইসলাম লিটন। এ ঘটনায় অজ্ঞাত পাঁচ-ছয়জনকে আসামি করে সুন্দরগঞ্জ থানায় মামলা করেন লিটনের বড় বোন ফাহমিদা কাকুলী বুলবুল। তদন্ত শেষে হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী আবদুল কাদের খানসহ আটজনের বিরুদ্ধে ২০১৭ সালের ৩০ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ।
২০১৭ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বগুড়ার বাসা থেকে গ্রেপ্তারের পর থেকে কাদের খান গাইবান্ধা জেলা কারাগারে রয়েছেন। এ ছাড়া কাদের খানের ব্যক্তিগত সচিব (পিএস) শামছুজ্জোহা, গাড়িচালক আবদুল হান্নান, মেহেদি হাসান, শাহীন মিয়া ও আনোয়ারুল ইসলাম ওরফে রানা কারাগারে রয়েছেন।
আসামিদের মধ্যে কসাই সুবল কারাগারে অসুস্থ অবস্থায় মারা যান। এ ছাড়া পলাতক আছেন অপর আসামি চন্দন কুমার।
এএস





