ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’। এরই মধ্যে উপকূলীয় ঝুঁকিপূর্ণ ১৯ জেলায় আজ সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৫ জনকে আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শাহ কামাল।
আজ (০৩ মে) শুক্রবার সন্ধ্যায় সচিবালয়ে ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র সর্বশেষ অবস্থা ও মোকাবিলার প্রস্তুতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে শাহ কামাল এই তথ্য জানিয়েছেন।
দেশের ১৯ জেলার ১৪৭টি উপজেলার ১৩ হাজার ৫০০ বর্গকিলোমিটার উপকূলীয় এলাকা হিসেবে চিহ্নিত; সেখানে প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ মানুষের বসবাস। এই ১৯ জেলায় ৪ হাজার ৭১টি আশ্রয় কেন্দ্র রয়েছে, যার বেশিরভাগই প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব জানিয়েছেন, নেভি, কোস্টগার্ড, পুলিশ, আনসার-ভিডিপি, স্বেচ্ছাসেবকসহ রাজনৈতিককর্মীরা উপকূলের মানুষদের আশ্রয় কেন্দ্রে নেওয়াসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন।
ঘণ্টায় ১৭৫ থেকে ১৮৫ কিলোমিটার গতির ঝোড়ো হাওয়া সঙ্গে নিয়ে শুক্রবার (০৩ মে) সকাল ৮টার দিকে ওড়িশা উপকূল অতিক্রম শুরু করে ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’।
আরও পড়ুন: যশোর দিয়ে বাংলাদেশে আঘাত হানবে ‘ফণী’
ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’: বাংলাদেশ-লাওস যৌথভাবে চ্যাম্পিয়ন
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ ৬ মে
বৃষ্টি ঝরিয়ে দুর্বল হয়ে মোটামুটি এর অর্ধেক শক্তি নিয়ে এই ঝড় শুক্রবার (০৩ মে) মধ্যরাতের দিকে খুলনাসহ বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে পৌঁছাতে পারে। এরপর তা রাজশাহী, রংপুর এবং বৃহত্তর ময়মনসিংহের ওপর দিয়ে দেশের উত্তরাংশ পেরিয়ে যেতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, দুযোর্গ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ বি তাজুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব নজিবুর রহমান, সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ বি তাজুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব নজিবুর রহমান, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা মো. জয়নাল আবেদীন উপস্থিত রয়েছেন।
এমবি





