আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক, সড়ক সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন বিএনপি সব হারিয়ে এখন উম্মাদ হয়ে গেছে। দেশের জনগনের উপর আস্থা হারিয়ে বিএনপি ক্ষমতার জন্য এখন বিদেশী প্রভুদের কাছে ধর্না দিচ্ছে। কেমনে আন্দোলন হরে মরা গাঙ্গেতো জোয়ার আসে না।
শনিবার বিকালে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে চট্টগ্রাম থেকে আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান পাওয়া নেতাদের সংবর্ধনা অুনষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
চট্টগ্রাম উত্তর, দক্ষিণ জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত সমাবেশে বিএনপির উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথি ওবায়দুল কাদের বলেন, ভারত মিশন শেষে আমেরিকা মিশনের অপেক্ষায় ছিলো বিএনপি। ভাবছিলেন এবার বুঝি আন্দোলনটা চাঙ্গা করে নিবে। কিন্তু তাতেও ব্যর্থ বিএনপি। তিনি বলেন, এর আগে ভারতে জিতেছে বিজেপি আর বাংলাদেশে খুশি হয় বিএনপি।
তাদের আশা ছিল ক্ষমতার পরিবর্তন হলে ভারতের নতুন সরকারের সহযোগীতায় বেগম জিয়া আবারো ক্ষমতায় যাবেন। আর তাই ভারতে নরেন্দ্র মোদি সাহেবের জোয়ার দেখে সেই স্রোতে ভেসে যেতে চেয়েছিলো বিএনপি। কিন্তু নির্বাচনের পর দিন যায়, মাস যায়, বছর যায়, কিন্তু কোনকিছু আর হয়ে উঠল না।
‘ভারত মিশন ব্যর্থ হওয়ার পর বিএনপি আমেরিকা মিশন নিয়ে অপেক্ষা করেছিলেন এতদিন সেটাও শেষ হয়েছে। আমেরিকার নির্বাচনে কাঙ্ক্ষিত কেউ না আসায় আবারও বিনা মেঘে বজ্রপাত।
কাদের বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলের উদ্দেশ্য বলেন, আপনাদেরকে তো খালেদা জিয়া নির্বাচিত করেছেন এক কলমের খোছায়। আবার কখন এক কলমের খোঁচায় বাদ দেবে তারও কোন ঠিক নেই। বড় বড় কথা না বলে আমাদের নির্বাচন নিয়ে কথা বলেন।
আওয়ামীলীগের ক্ষমতার উৎস হলো জনগন উল্লেখ করে সেতু মন্ত্রী বলেন আওয়ামীলীগ নয় দেউলিয়া হয়েছে বিএনপিই। আন্দোলন নিয়ে টালবাহানা করছেন এবছর নয় তো অন্য বছর আসলে আন্দোলন হবে কোন বছর? বিএনপির রাজনীতি এখন প্রেসরিলিজ নির্ভর হয়ে গেছে।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য তিনি বলেন যারা দলের নিয়ম মানবেনা তাদের দলে থাকার কোন অধিকার নেই। গুটি কয়েকজন যারা পরিবেশ নষ্ট করতে চান তাদের জন্য পুরা দল নষ্ট হতে পারেনা তাদেরকে বের করে দেয়া হবে। দলে যারা অনুপ্রবেশ করেছেন তাদেরকে ধরা হবে। বসন্তের কোকিলদের শেখ হাসিনার কাছে স্থান নেই। চট্টগ্রামের সবাই আজ এক মঞ্চে। আমরা অভিন্ন এবং এক।
চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি সাবেক মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা সভায় বক্তব্য রাখেন আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ, গৃহায়ন ও গনপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেন, সাবেক মন্ত্রী দিপু মণি, ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাভেদ,কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ,চট্টগ্রাম সিটি মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দিন,সাবেক এমপি ইছহাক মিঞা,দক্ষিন জেলা সভাপতি মোসলেম উদ্দিন,উত্তর জেলা সভাপতি নুরুল আলম চৌধুরী,দক্ষিন জেলা সেক্রেটারী মফিজুর রহমান,উত্তর জেলা সেক্রেটারী এম এ ছালাম প্রমুখ।
মাসুম/জেড





