গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জে আব্দুস ছোবাহান মুন্সী ১৪০ বছর বয়সেও পায়নি বয়স্ক ভাতা।

অসহায় হত দরিদ্র মানুষটি আজ বয়সের ভারে বিছানা মৃত্যু শয্যায়।

পারিবারিক জীবনে ৩ ছেলে ৫ মেয়ে সন্তানের বাবা তিনি। জীবনসঙ্গীনি ১৫ বছর আগে মারা গেছেন। ছেলে মেয়ে এবং নাতিরা তার খোঁজখবর রাখছেন।

এ বয়সে কথা না বলতে পারলেও ফিস ফিস করে যা বললেন জনপ্রতিনিধিদের কথা, ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বরদের টাকা না দেওয়ায় ভাগ্যে জোটে না ভাতার কার্ড।  

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের জীবনপুর গ্রামের মৃত-খাঁন মাহমুদ মুন্সীর ছেলে।

মহিমাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের আওয়ামী লীগ সভাপতি মুন্সী রেজুওয়ানুর রহমান বলেন, জেলার সবচাইতে বয়সে প্রবীন ব্যাক্তির এই পরিবারটি আওয়ামী লীগের পরিবার। আওয়ামী রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে শেখ হাসিনা সরকারের বয়স্ক ভাতা থেকে প্রবীন এই ব্যাক্তিকে বঞ্চিত করা হয়েছে। 

এ পরিবারটির দাবি অনেক চেয়ারম্যান, মেম্বরকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করলেও তারা সরকারের কোন সহযোগিতা পায় না। ভাতা কার্ডের কথা চেয়ারম্যান, মেম্বরের কাছে বললে টাকার বিষয় আসে। তবে টাকা দিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীন দেশে ভাতার কার্ড নিতে চান না প্রবীন ব্যাক্তি আব্দুস ছোবাহান মুন্সী।

তবে স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি প্রবীন এই ব্যাক্তিকে বয়স্ক ভাতা কার্ডের আওতায় নিয়ে আসার জন্য উপজেলা ও জেলার সংশ্লিষ্ঠ প্রশাসনের আশুহস্তক্ষেপ কামনা করেন।

রুবেল/এমবি