প্রতিদিনই বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা। বাড়ছে মৃত্যু। এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা এক শ’ ছুঁই ছুঁই। ডেঙ্গু আতঙ্ক যেন বেড়েই চলছে। এবার ফরিদপুরের মধুখালীতে ডেঙ্গুজ্বরে তানজিদ মোল্লা (৯) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় শিশুটি।
একের পর এক লাশের মিছিলে যোগ হচ্ছে শিশু-বৃদ্ধসহ সকল শ্রেণির মানুষ। বাড়ছে উৎকণ্ঠা আর উদ্বেগে। কোন মতেই নিস্তার মিলছে না। এই মহামারি ছোবল থেকে। ডেঙ্গুর প্রকোপ এ যেনো 'বিনা মেঘে বজ্রপাতের' মতো।
খালেদা পারভীন ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার মেঘচামী ইউনিয়নের মেঘচামী গ্রামের ফিরোজ খানের মেয়ে। দুই মেয়ে ও এক ছেলের মধ্যে তিনি ছোট।
তার বাবা স্থানীয় আশাপুর সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক। খালেদা সরকারি আয়েনউদ্দিন কলেজের ডিগ্রি শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ১১ আগস্ট রোববার তানজিদকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর তার ডেঙ্গু ধরা পড়ে। গতকাল সে মারা যায়।
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এ নিয়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মোট তিনজন মারা গেল। এর আগে গত ৯ আগস্ট গৃহবধূ লিপি আক্তার (২৫) ও ১ আগস্ট মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার টেপাখোলা এলাকার বাসিন্দা শারমীন (২২) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালে গত ২০ জুলাই থেকে আজ বুধবার পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছে ৫৭১ জন। মারা গেছেন ৩ জন, আর চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছে ২৪৬ জন। ১০ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৩১২ জন।
এএস





