প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কুয়েতের আমির শেখ সাবাহ আল-আহমদ আল-জাবের আল-সাবাহ’র মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

গতকাল (৩০ সেপ্টেম্বের) বুধবার এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশের জনগণ ও সরকার এবং আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে আমি কুয়েতের আমির শেখ সাবাহ আল-আহমদ আল-জাবের আল-সাবাহ’র মৃত্যু সংবাদ জানতে পেরে গভীরভাবে শোকাহত হয়েছি।”

শেখ হাসিনা কুয়েতের ভ্রাতৃপ্রতিম জসগণের প্রতি গভীর সমবেদনা এবং মরহুমের পরিবারের শোকসন্তপ্ত সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সহানুভূতি প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আবেগাক্রান্ত ও শোকবিহ্বল হওয়া সত্ত্বেও তিনি সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের প্রাথমিক দিনগুলোতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও কুয়েতের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রয়াত আমিরের মধ্যে আস্থা ও ভ্রাতৃত্বের ভিত্তিতে সম্পর্কের কথা অতীব অনুরাগের সাথে স্মরণ করেন।

তিনি বলেন, তাঁর চমৎকার আলোচনার দক্ষতা এবং সর্বজনীন গ্রহণযোগ্যতার কারণে জাতির পিতা একটি সার্বভৌম স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে বিশেষত মুসলিম উম্মাহর কাছ থেকে বাংলাদেশের পক্ষে স্বীকৃতি অর্জন করতে সক্ষম হন।

শেখ হাসিনা বলেন, কুয়েতে বাংলাদেশী প্রবাসীদের কল্যাণে আমি তাঁর অবদান গভীর কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করি।

প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের মানুষ তার নেতৃত্ব এবং উপসাগরীয় সহযোগিতা কাউন্সিল গঠন ও এ অঞ্চল এবং এর বাইরেও শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে তাঁর অবদানকে গভীরভাবে মূল্যবান করে উল্লেখ করে আরও বলেন, তাঁর এ অবদান ইতিহাসে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে স্মরণীয় থাকবে। তিনি বলেন, “আমরা কুয়েত এবং এর জনগণের জন্য তাঁর আত্মনিবেদিত সেবার কথা স্মরণ করি।”

প্রধানমন্ত্রী মরহুম আমিরের বিদেহী আত্মার শাশ্বত শান্তি ও জান্নাতে তাঁর উচ্চতম স্থানের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করেন।
তিনি বলেন, সর্বশক্তিমান আল্লাহ আমিরের সম্মানিত পরিবারের শোকাহত সদস্য এবং কুয়েতের ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণকে এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার জন্য সাহস ও শক্তি দান করুন।

শেখ সাবাহ মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে (বাংলাদেশ সময়) যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাসপাতালে মারা যান। বাসস

এমবি