তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, ৫ জানুয়ারি নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হয়নি বলে যে সব বুদ্ধিজীবীরা প্রশ্ন তোলেন তারা যুদ্ধাপরাধী, জঙ্গিবাদ ও রাজাকারদের সমর্থক।
ড. কামাল হোক আর মান্না হোক। এসব বুদ্ধিজীবী ষড়যন্ত্রকারী। তাদের মুখে গণতন্ত্রের কথা শোভা পায় না। তাদের মুখে তাণ্ডবের বুলি শুনতে চাই না। ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের আগে দেশ জুড়ে যে তাণ্ডব লীলা হয়েছে এগুলো বুদ্ধিজীবীরা বলে না। তারা যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে বলেন। যুদ্ধাপরাধ ও খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে তাণ্ডব মোকাবেলা করে দেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে।
শনিবার দুপুরে শহীদ এম. মনসুর আলী অডিটোরিয়ামে সিরাজগঞ্জ জেলা জাসদের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, আন্দোলনের নামে নাশকতাকারীদের ছাড় দেয়া হবে না। বর্তমানে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে যে আন্দোলন চলছে তা পাকিস্তানিদের কৌশল। তাদের কৌশল হলো প্রতিপক্ষকে জানে মেরে ফেলা। জিয়াউর রহমান এদেশে প্রথম পাকিস্তানিদের কৌশল অবলম্বন শুরু করেন। কর্নেল তাহের, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা, শাহ এসএম কিবরিয়া, আহসানুল্লাহ মাস্টার হত্যা এসব পাকিস্তানিদের চক্রান্তে হয়েছে। আর তা বাস্তবায়ন করেছে জিয়া ও খালেদা জিয়া। বেগম জিয়া তার স্বামীর পথেই হাঁটছেন।
তিনি আরো বলেন, রাজাকাররা ৪২ বছরে বদলাইনি। ভুল স্বীকার করেনি। তারা যুদ্ধাপরাধ ও ঘাতকের দল। এই রাজাকারের প্রথম পিতা পাকিস্তান। ২য় জন জিয়া। আর খালেদা জিয়া তাদের মাতা। মায়ের স্নেহ দিয়ে বেগম খালেদা জিয়া যুদ্ধাপরাধীদের লালন করছেন। তারা দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন। তারা মীর জাফর। স্বাধীনতা কুড়িয়ে পাওয়া বস্তু না। যুদ্ধাপরাধীরা ইতিহাসের আবর্জনা। আর মুক্তিযোদ্ধারা হচ্ছেন বীর সন্তান।
সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জাসদ কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শরীফ নুরুল আম্বীয়া বলেছেন, জাতীয় পার্টি জগা খিচুড়ি দল। তারা কোন কাজে আসে না। যে দল বলে মন্ত্রী দিলে বিরোধী দলে থাকবো আর মন্ত্রী না দিলে থাকবো না তাহলে তারা কেমন দল করে।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে তারেক রহমান যে কটূক্তি করেছে তার কোন ক্ষমা নেই। তিনি ক্ষমা না চাইলে যেদিন তারেক রহমান দেশে ফিরবে সেদিন তার জিভ টেনে ছিঁড়ে দিতে হবে। তাই দেশের মানুষের কথা ভেবে সময় এসেছে জাসদকে শক্তিশালী করা।
সিরাজগঞ্জ জেলা জাসদের সভাপতি আব্দুল হাই তালুকদারের সভাপতিত্বে দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি রেজাউল করীম তানসেন এমপি, যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মাদ খালেদ, কোষাধক্ষ্য আইয়ুব আলী খান, সাংগঠনিক সম্পাদক করীম শিকদার, সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাদের চৌধুরী, সিরাজগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. নাজমুল ইসলাম মুকুল, সহ-সভাপতি অ্যাড. সুকুমার চন্দ্র দাস, প্রাণ গোবিন্দ চৌধুরী, অ্যাড. কামরুল ইসলাম শান্তা, শাহ আলম ডেভিড, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. মাহবুব-এ-খোদা টুটুল, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. মাসুদ পারভেজ নওশাদ প্রমুখ।
জেআই





