ময়মনসিংহে সব নাশকতার সাথে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন সরাসরি জড়িত বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার মঈনুল হক।

সোমবার দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজতি সংবাদ সম্মলেনে ময়মনসিংহে নাশকতার সাথে কারা জড়িত এমন প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, ময়মনসিংহে ৫জানুয়ারির পর চারটি নাশকতার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার সাথে জড়িত দশ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর সবাই বিএনপির নেতাকর্মী।

পুলিশ সুপার জানান, গ্রেফতারকৃতদের স্বীকারোক্তি মতে মুক্তগাছায় নাশকতার সাথে জড়িত ও অর্থ যোগানদাতা হিসেবে বিএনপির উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের শীর্ষ নেতার নাম এসেছে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ৩ ফেব্রুয়ারি মুক্তাগাছা থানাধীন ফায়ার সার্ভিসের ভেতরের গাড়ি ও বাসষ্ট্যান্ডে পার্থ পরিবহনের বাসে পেট্রলবোমা হামলার ঘটনা এবং মুক্তাগাছা-টাঙ্গাইল সড়কের কালিবাড়ি রামচন্দ্রপুর এলাকায় গাছের গুড়ি ফেলে কাভার্ড ভ্যান আটকিয়ে তিন হাজার মুরগির বাচ্চাসহ গাড়িটি পুড়িয়ে ফেলার অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতাররা হলেন, ঘোগা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও বিএনপির ইউনিয়ন সভাপতি কামরুজ্জামান লেবু, ছাত্রদলকর্মী ওবায়দুর রহমান টুটুল, রাকিবুল ইসলাম, চান মিয়া ও চানু। এদের মধ্যে চেয়ারম্যানকে আগেই গ্রেফতার করা হয়। বাকীদেরকে রোববার দিবাগত রাতে উপজেলার চেচুয়া, শৈলচাপড়া ও কান্দিপাড়া থেকে গ্রেফতার করা হয়। সংবাদ সম্মেলন শেষে গ্রেফতারকৃতদের সাংবাদিকদের সামনে হাজির করা হয়।

এদিকে ফুলবাড়িয়া পৌর যুবদলের সভাপতি আনোয়ার সাদাত, কোতোয়ালি যুবদল নেতা আলু মিয়া ও ফুলপুরের যুবদলকর্মী সোহেলকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ফুলবাড়িয়া থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) রিফাত খান রাজীব, কোতোয়ালি থানার ওসি আবু মো. ফজলুল করিম ও ফুলপুরের ওসি মাজাহারুল হক আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কেএইচ