কুষ্টিয়ার মিরপুরে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ইউএইচএসহ অনুমোদিত ৩৬ চিকিৎকের বিপরীতে কাগজে ৩৬ জনই আছেন।

কিন্তু বাস্তবে আছেন ১৮ জন। বাকী ১৮ জন ডেপুটেশনে অন্যত্র কর্মরত আছেন। অথচ মাস শেষে ৩৬ জন চিকিৎসকই উপজেলা থেকে বেতন-ভাতাসহ অন্যান্য সুবিধা গ্রহণ করছেন।

আবার টেপুটেশন বাদে যে ১৮জন চিকিৎসক এই হাসপাতালে কর্মরত আছেন, তাদের মধ্যে ৫/৬ জন ছাড়া ১৮জন চিকিৎসককে একদিনের জন্যও একসাথে মিরপুর হাসপাতালে উপস্থিত থাকতে দেখা যায়নি।

আর সংশ্লিষ্ট উধ্বতন কর্মকর্তাদের যথাযথ নজরদারীর অভাবে এ উপজেলার চিকিৎসা ব্যবস্থা রীতিমত ভেঙ্গে পড়ার উপক্রম হয়েছে।

নিয়ম অনুযায়ী কর্মরত চিকিৎসকদের কর্মরত ষ্টেশনে থাকা বাধ্যতামূলক থাকলেও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএ)সহ কোন চিকিৎসকই থাকেন না। যার ফলে প্রায় কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে অভ্যন্তরের ৮ ফ্লাটের চিকিৎসক কোয়ার্টারটি ব্যবহার না করায় অযতœ আর অবহেলায় নষ্ট হতে বসেছে।

এদিকে, এই হাসপাতালে নার্স সংকট নেই। কিন্তু কতিপয় নার্সদের হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ডেলিভারী রোগীদের আত্বীয়দের কাছ থেকে বাধ্যতামূলক বকশীষ নেয়ার ঘটনায় মাঝে মাঝেই ঘটে বাদানুবাদের ঘটনা।

কতিপয় সিনিয়র নার্স আবার নিয়মিত হাসপাতালে না এসে ইনচার্জকে ম্যানেজ করে কখনো কখনো ৪/৫ দিনের স্বাক্ষর করেন একদিনেই। হাপতালের ইনডোর থেকে দামি ইনজেকশন ও ঔষধ বাইরে পাচার হওয়ারও রয়েছে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ।

হাসপাতালের রোগীদের খাবারের মান নিয়েও রয়েছে বিস্তর অভিযোগ। এসব বিষয়ে নবাগত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ স্বপন কুমার সাহার বলেন, আমি সদ্য দায়িত্ব নিয়েছি। অনিয়ম দূর্নীতি রোধে আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করবো।

এসএইচ